রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ২ মার্চ

রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ২ মার্চ

আগামী ২ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান মাস সম্ভাব্য শুরু ধরে ঢাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪৬ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের এই সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। গণমাধ্যমকে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম। ষোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ মার্চ প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোররাত ৫টা ৪ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২ মিনিট। ইসলামি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২ মার্চ প্রথম রমজানে ঢাকায় সাহরির শেষ সময় ভোররাত ৫টা ৪ মিনিট ও ইফতারির:
আরও পড়ুন
যে তিন কাজে দেরি করতে নিষেধ করেছেন নবিজি (সা.)

যে তিন কাজে দেরি করতে নিষেধ করেছেন নবিজি (সা.)

আলি ইবনে আবু তালেব (রা.) থেকে বর্ণিত, নবি (সা.) তাঁকে বললেন, ‘হে আলি, তিন কাজে দেরি করবে না। সময় হয়ে গেলে নামাজ আদায়ে, জানাজা এসে গেলে জানাজার নামাজ পড়তে এবং কুফু মিলে গেলে বিবাহে বিলম্ব করবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১৭১) এক. নামাজের সময় হলে: ইমানের পর নামাজের গুরুত্ব সর্বাধিক। ইমান ও নামাজের মধ্যে পার্থক্য করে দেয় নামাজ। আল্লাহ যথাসময়ে নামাজ আদায়ের কথা বলেছেন। কোরআনে আছে, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুসলমানদের ওপর তার নির্ধারিত সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)। সময়মতো নামাজ পড়া ইমানি দায়িত্ব। কাসিম ইবনে গান্নাম (রহ.) থেকে বর্ণিত, তাঁর ফুফু ফারওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বাইয়াত গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত:
আরও পড়ুন
সুসন্তান লাভে নবী-রাসুলদের দোয়া

সুসন্তান লাভে নবী-রাসুলদের দোয়া

পবিত্র কোরআনে সুসন্তান লাভের জন্য বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত হয়েছে। এরমধ্যে অনেক দোয়া নবী-রাসুলরা করেছেন। এমন কয়েকটি দোয়া নিম্নে তুলে ধরা হলো- *আল্লাহর নবী ইবরাহিম (আ.) সুসন্তানের জন্য দোয়া করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করে তাকে নেক সন্তান দান করেন। দোয়াটি ছিল-  رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিনাস সলেহিন। অর্থ : হে আমার রব! আমাকে এক উত্তম সন্তান দান করুন।’ (সুরা সাফফাত, আয়াত : ১০০) * জাকারিয়া (আ.) বৃদ্ধ বয়সে সন্তান লাভের জন্য দোয়া করেছেন। তাঁর পঠিত দোয়াটি ছিল- رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاء উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা যুরিরয়্যাতান ত্বাইয়্যিবাহ,:
আরও পড়ুন
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান পুতিন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান পুতিন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে তাঁর। যেমন ইউক্রেনে রাশিয়ার দখল করা ভূখণ্ডগুলো নিয়ে বড় কোনো ছাড় দিতে চান না তিনি। আর পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ত্যাগ করতে হবে ইউক্রেনকে। ক্রেমলিনের এই ভাবনার বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন পাঁচটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।  ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন তিনি। এমন এক সময় ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বসতে যাচ্ছেন, যখন ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি পাচ্ছে মস্কো। এই অগ্রগতি ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের:
আরও পড়ুন
সুন্দর আচরণ ঈমানের অংশ

সুন্দর আচরণ ঈমানের অংশ

বাংলায় একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে—‘ব্যবহারে বংশের পরিচয়’। অর্থাৎ একজন মানুষের আচার-ব্যবহার, চালচলন ও কথাবার্তায় বোঝা যায় সে কেমন ঘরের সন্তান। পরিবারের শিক্ষাদীক্ষা কেমন পেয়েছে। তার আচরণ প্রশংসনীয় হলে ভালো ঘরের সন্তান ধরা হয়, আর মন্দ হলে ছোটলোক বলা হয়। তাই সামাজিকভাবে স্বভাব-চরিত্রের বিশেষ গুরুত্ব আছে। এর বাইরে ইসলামও মানুষকে সদাচরণ ও উত্তম গুণাবলির শিক্ষা দেয়। কোরআন ও হাদিসে এর অসংখ্য প্রমাণ আছে। মহান আল্লাহ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রশংসা করে পবিত্র কোরআনে বলেন—‘নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্রের অধিকারী। ’ (সুরা : নুন, আয়াত : ৪) মহানবী (সা.) ছিলেন মানবজাতির শিক্ষকস্বরূপ। তাই আমাদের উচিত নবীজির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে উত্তম মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা।:
আরও পড়ুন
জুমার দিনের সুন্নত আমল

জুমার দিনের সুন্নত আমল

মিসওয়াক করা : আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য বা তিনি বলেছেন, লোকদের জন্য যদি কঠিন মনে না করতাম, তাহলে প্রত্যেক সালাতের সঙ্গে তাদের মিসওয়াক করার হুকুম করতাম (বুখারি : ৮৮৭)। সূরা কাহাফ পড়া : হজরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এ সূরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। যে ব্যক্তি ওজুর পর উক্ত আয়াতগুলো পড়বে তার নাম একটি চিঠিতে:
আরও পড়ুন
ভালোবাসা পেতে হলে

ভালোবাসা পেতে হলে

ভালোবাসা পেতে হলে আবদুল ওয়ারেছ ভালোবাসা পেতে হলে কেমন হতে হবে? একটু ভেবে দেখলে তুমি জবাব পাবে তবে। সত্য পথে চলতে হবে মিথ্যা পায়ে দলে, জীবনটাকে গড়তে হবে রঙিন ফুলে ফুলে। লেখা পড়া করতে হবে দিয়ে মনোনিবেশ, নতুন করে গড়তে হবে সোনার বাংলাদেশ। গরীব দুঃখী সবাইকে বাসতে হবে ভালো, গুছতে হবে সমাজের যত আধার কালো। মনটা বড় করতে হবে সকল মহৎ কাজে, প্রাণটা খুলে হাসতে হবে শত দুঃখের মাঝে। মন্দ হতে থাকবে দূরে মোহ দেকনা তাড়া, মহৎ কাজে আসলে ডাক দিতে হবে সাড়া। পরনিন্দা মন্দ কথা করতে হবে বন্ধ, অবসান করতে হবে যত আছে দ্বন্দ্ব। নিরাশা রুখতে হবে তুলে বিজয়:
আরও পড়ুন
আজ পবিত্র আশুরা

আজ পবিত্র আশুরা

আজ বুধবার ১০ মহররম, পবিত্র আশুরা। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি শোকের। ৬১ হিজরির এই দিনে ফুরাত নদীর তীরবর্তী কারবালায় শহীদ হন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.)। তিনি হজরত আলী (রা.) ও হজরত ফাতেমার (রা.) পুত্র। হজরত আলীর মৃত্যুর পর খলিফা হন হজরত মুয়াবিয়া (রা.)। জীবদ্দশাতেই তিনি পুত্র ইয়াজিদকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। ইয়াজিদের কাছে বাইয়্যাত নিতে অস্বীকৃতি জানান ইমাম হোসেন। প্রতিবাদে মদিনা ছেড়ে কুফায় হিজরতের জন্য যাত্রা করেন। পথে কারবালায় থামেন সঙ্গীদের নিয়ে। হোসেন (রা.) ও তাঁর অনুসারীদের আটক করে মদিনায় ফিরিয়ে নিতে ইয়াজিদের নির্দেশে উমর ইবনে সাদ আবি ওক্কাসের নেতৃত্বে চার হাজার সৈন্য কারবালায় প্রবেশ করে।:
আরও পড়ুন
জুমার দিনে বিশেষ ৪ আমল

জুমার দিনে বিশেষ ৪ আমল

জুমার দিন মুসলমানদের কাছে পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা) জুমার দিনে বিশেষ ৪ আমল দোয়া করা জুমার দিনের দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন। তাই এদিন আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করা উচিত। হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জুমার দিনে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর:
আরও পড়ুন
ঝড়-তুফানে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

ঝড়-তুফানে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

ইসলামি বিশ্বাস মতে, ঝড়-তুফানসহ সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মহান আল্লাহর পরীক্ষা। এ সময় ধৈর্য ধরে নিজেদের সুরক্ষায় পরিকল্পিতভাবে কাজ করা এবং আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করা এবং সাহায্য চাওয়াই মুমিনের কাজ। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে এরশাদ হচ্ছে, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা, জানমাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা বালা-মুসিবতের সময় বলে—নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী, তাদের ওপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত; এবং তারাই হেদায়তপ্রাপ্ত।’ (সুরা বাকারা: ১৫৫-১৫৭) ঝড়-তুফানসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেসব দোয়া মহানবী (সা.) পাঠ করতেন, তার কয়েকটি উল্লেখ করা হলো— ঝড়-তুফানে:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.