সাহিত্য

“প্রতিবন্ধী ভাতা বনাম ফ্যামিলি কার্ড”

“প্রতিবন্ধী ভাতা বনাম ফ্যামিলি কার্ড”

  বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো নিয়ে যখনই আলোচনা হয়, তখন দুটি বিষয় বারবার সামনে আসে—প্রতিবন্ধী ভাতা এবং বিএনপি প্রস্তাবিত বা আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’। একটির ইতিহাস দীর্ঘ; অন্যটি তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রস্তাবনা। একটি নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক নগদ সহায়তা; অন্যটি পরিবারভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তার বিস্তৃত কাঠামো গড়ার ধারণা। এই দুই ধারণাকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে বিশ্লেষণ করলে কেবল অর্থের অঙ্ক নয়, রাষ্ট্রের সামাজিক দর্শন, কল্যাণনীতির দর্শন, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা এবং বাস্তব প্রয়োগ—সবকিছুই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০০৫–২০০৬ অর্থবছরে। সে সময় ক্ষমতায় ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকার। প্রথম পর্যায়ে সীমিত সংখ্যক উপকারভোগীকে মাসিক ২০০ টাকা করে ভাতা:
আরও পড়ুন
দানব রানির রাজ্য- সোমাইয়া আহ‌মেদ

দানব রানির রাজ্য- সোমাইয়া আহ‌মেদ

দানব রানির রাজ্য এক দেশে ছিল দানব রানি, রক্তখেলায় যার ছিল টানি। হাসি মুখে করতো হত্যা, ভয় ছড়াত রাজ্যে নিত্য। তার রাজপ্রাসাদ সোনার খাঁচা, ভিতরে লুকায় মৃত্যুর নাচা। মানুষ মরে পাখির মতো, লাশে ভরে পথের যত। বন্দিশালা অন্ধকারে, চিৎকার মিশে রাতের তারে। খুপড়ি ঘরে চোখের জ্বালা, মানব জীবনে দুঃখের মালা। ডাইনিবুড়ি যেমন খুশি, রক্ত পানেই হাসি ফুঁসি। তেমনি রানি আনন্দ পায়, মানুষ মেরে উৎসবায়। মন্ত্রী-সেনা তারই সুরে, জুলুম চলে ঘরে ঘুরে। আইন মানে না কেউ তাতে, আতঙ্ক বয়ে যায় বাতাসে রাতে। কিন্তু একদিন তরুণ দল, উঠে বলে—“অন্যায় চল?” বজ্রকণ্ঠে গর্জন তোলে, ভয় মিশে যায় রানির হলে। ছাত্রেরা ফুঁসে আগুন জ্বালে,:
আরও পড়ুন
ভালোবাসা পেতে হলে

ভালোবাসা পেতে হলে

ভালোবাসা পেতে হলে আবদুল ওয়ারেছ ভালোবাসা পেতে হলে কেমন হতে হবে? একটু ভেবে দেখলে তুমি জবাব পাবে তবে। সত্য পথে চলতে হবে মিথ্যা পায়ে দলে, জীবনটাকে গড়তে হবে রঙিন ফুলে ফুলে। লেখা পড়া করতে হবে দিয়ে মনোনিবেশ, নতুন করে গড়তে হবে সোনার বাংলাদেশ। গরীব দুঃখী সবাইকে বাসতে হবে ভালো, গুছতে হবে সমাজের যত আধার কালো। মনটা বড় করতে হবে সকল মহৎ কাজে, প্রাণটা খুলে হাসতে হবে শত দুঃখের মাঝে। মন্দ হতে থাকবে দূরে মোহ দেকনা তাড়া, মহৎ কাজে আসলে ডাক দিতে হবে সাড়া। পরনিন্দা মন্দ কথা করতে হবে বন্ধ, অবসান করতে হবে যত আছে দ্বন্দ্ব। নিরাশা রুখতে হবে তুলে বিজয়:
আরও পড়ুন
আমি সেই নারী, কবি সানজিদা রসুল

আমি সেই নারী, কবি সানজিদা রসুল

হ্যাঁ আমি সেই নারী, যাকে স্রষ্টার সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি বলা হয়। আমিই সেই নারী, যে হয় কবির কবিতা ও কাব্যের নায়িকা। হ্যাঁ আমি সেই নারী, যে তোমাদের তরবারি হয়ে তোমাদেরকে যুদ্ধে জয়ী করায়। হ্যাঁ আমি সেই নারী যে তোমাদের অর্ধশক্তি। হ্যাঁ আমি সেই নারী যে তোমাদের অর্ধাঙ্গীনি। হ্যাঁ আমিই সেই নারী, যে তোমাদের স্বার্থে নিজেকে চুলার আগুনে পুড়ায়! হ্যাঁ আমিই সেই নারী, যে নিজের কথা ভাবে না, তোমাদের কথা ভেবে জীবন কাটায়! হ্যাঁ আমিই সেই নারী, যে কারো মা, কারো বোন, কারো স্ত্রী। আমিই সেই সহনশীল, ধৈর্য্যধারীণী নারী, যে তোমাদের জন্য বৃষ্টি তে ভিজে, রৌদ্রে পুড়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তোমাদের:
আরও পড়ুন
কবি ডা. জসিম তালুকদারের টাকা ও প্রেমের কথাকলি

কবি ডা. জসিম তালুকদারের টাকা ও প্রেমের কথাকলি

মানুষ টাকা চায়। কিন্তু টাকার জন্য টাকা চায় না। মানুষ টাকা চায় প্রেমের জন্য। সে মনে করে, তার টাকা নাই, তাই ভালোবাসার যোগ্য সে নয়। টাকা ছাড়া প্রেম প্রকাশের আর কোনো যোগ্যতা সে অর্জন করতে পারেনি। একটি জিনিসই সে অর্জন করতে পারে, তা হলো টাকা। তার একটি জিনিসই তার দেওয়ার আছে, তা হলো টাকা। তাকিয়ে দেখো তোমার অন্তঃপুরে। অর্থ-বিত্ত, নাম-যশ যাই তুমি চাও না কেন, প্রেমের জন্যই চাও। এই পৃথিবীতে শুধু প্রেমই আছে। আর কিছু নাই। শিশুর হামাগুড়িতে প্রেম। কুকুরটি লেজ নাড়িয়ে বলছে- ‘আমি তোমাকে ভালেবাসি’। বিড়ালটি মিউ মিউ করে বলছে,‘আমাকে প্রেম দাও’। মানুষ যত বিত্তশালীই হোক না কেন, তার:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.