স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

রোগ প্রতিরোধকারী বাদাম

রোগ প্রতিরোধকারী বাদাম

বাদাম নানা রোগ প্রতিরোধকারী হিসেবে প্রমাণিত। সম্প্রতি আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত এক গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গবেষকদের মতে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনা কমে আসে। বাদামের ওপর গবেষণা চালিয়ে বিভিন্ন জার্নালসহ সম্প্রতি আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে বাদাম সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে বেইজিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটিও বাদাম সম্পর্কে বিভিন্ন গবেষণা চালিয়ে একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা জানান, অধিক কলেস্টেরল থাকা কোনো হৃদরোগী নিজের কলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে উপকার পাবেন। বাদাম হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে স্বাস্থ্য সুস্থ ও সবল:
আরও পড়ুন
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ৫ খাবার

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ৫ খাবার

পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনধারাই হল সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। পাশাপাশি জটিল রোগ, যেমন- ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই অভ্যাস। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু খাবার রাখা জরুরি। যেগুলো ক্যান্সারের আশঙ্কা কমাতেও সাহায্য করে। যেমন- আখরোটে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। নিয়মিত খেলে স্তন, প্রোস্টেট, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ডালের মধ্যে ফাইবার ও প্রোটিন রয়েছে ভরপুর পরিমাণে। ফ্যাটের মাত্রাও কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবার যুক্ত খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে দারুণ উপকারী। ওটসের মধ্যেও রয়েছে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে ওটস। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ব্রকোলি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। এর:
আরও পড়ুন
বদহজম সমস্যা দূর করবেন যেভাবে

বদহজম সমস্যা দূর করবেন যেভাবে

অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার কারণে অনেক সময় বদহজম হয়। আবার ভ্যাপসা গরমেও হজমে সমস্যা দেখা দেয় বদহজম, অ্যাসিডিটি, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, ঢেকুর ও বাতাস নির্গমনের মতো বিরক্তিকর সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু পরামর্শ মেনে চলতে পারেন- * খাওয়ার সময় তাড়াহুড়া করবেন না। সময় নিয়ে, ধীরে-সুস্থে ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া শেষ করবেন। তাড়াহুড়া করে খেতে গিয়ে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। তা ছাড়া পেটে খানিকটা বাতাসও ঢুকে যায়। * খাওয়ার সময় ও মাঝখানে বেশি পানি পান করলে পাকস্থলীর অ্যাসিড দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভালো করে খাবার ভাঙতে পারে না। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। খাওয়ার সময়:
আরও পড়ুন
যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর কৃমি, করণীয় কি?

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর কৃমি, করণীয় কি?

শিশুরা প্রায় সময়ই পেট ব্যথার কথা বলে থাকে। অনেক সময় চুলকানির কথাও বলে থাকে। কৃমির সমস্যার কারণে এমন হয়ে থাকে। শিশুর কৃমির লক্ষণ ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী। খাদ্যে অরুচি, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমি বমি ভাব, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি সমস্যাগুলো প্রায়ই শিশুদের মাঝে দেখা যায়। এগুলো কৃমির লক্ষণ। সংক্রমণের কারণ : অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবস্থা,  অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, দূষিত পানির ব্যবহার, টয়লেট শেষে ভালোভাবে হাত না ধোয়া, খাবার তৈরি বা গ্রহণের আগে হাত পরিষ্কার না করা, হাতের নখ বড় রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাটা ইত্যাদি।:
আরও পড়ুন
কেন লবণ কম খাবেন

কেন লবণ কম খাবেন

আমাদের শরীরে স্বাভাবিক কাজগুলো করতে দৈনিক ৫ গ্রাম বা এক চা চামচের বেশি লবণের  দরকার নেই। বেশি লবণ শরীরের জন্যে ক্ষতিকর।  লবণের মূল কাজ পেশী এবং স্নায়ুর কাজে সাহায্য করা ও শরীরে জল নিয়ন্ত্রণ করা। কাঁচা লবণ খাওয়ার  চেয়ে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে যে লবণ থাকে, তার মাধ্যমে শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয় লবণ পেয়ে থাকি আমরা। লবণ বেশি খেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় ব্লাড প্রেশারে। রক্ত চাপ বেড়ে যায়।  সাথে বেশি লবণ খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে, হার্টে সমস্যা হয়, হাড় ক্ষয় বেড়ে যায়, পাকস্থলীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা থাকে, কিডনিতে বিভিন্ন জটিলতা বাড়ে। দৈনন্দিন জীবনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হলো ভালো থাকার একটি উপায়।:
আরও পড়ুন
গরমে সুস্থ থাকতে ডাবের পানির উপকারিতা

গরমে সুস্থ থাকতে ডাবের পানির উপকারিতা

গরমের স্বস্তি কেবল বরফ ঠান্ডা এক গ্লাস পানি। এ পানির স্বাদ বাড়াতে তাই নানা উপাদান যুক্ত করা হয় তারতম্য বুঝে। কাঠ ফাটা রোদ থেকে রেহাই পেতে কিংবা তৃষ্ণা মিটাতে লেবু পানি কিংবা বাজারজাত প্যাকেটের গুঁড়া মিশ্রণ পানির স্বাদ বাড়িয়ে তুলে কয়েক গুণ। তবে এসব পানীয় আপনার তাৎক্ষণিক তৃষ্ণা মেটাতে পারলেও শরীরের প্রয়োজনীয় পানির অভাব কোনোভাবেই পূরণ করতে পারে না। ফলে ডিহাইড্রেড, ঠোঁট শুকিয়ে আসা, চোখে ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথার মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীরের প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি। এ ক্ষেত্রে গরমে আরাম সঙ্গে পানির তৃষ্ণা মিটাতে ডাবের পানি হতে পারে অন্যতম এক মাধ্যম। ডাবের পানি মূলত মিষ্টি হয়ে থাকে। তবে:
আরও পড়ুন
দেহের ওজন কমাতে যে ৩ সবজি খাবেন

দেহের ওজন কমাতে যে ৩ সবজি খাবেন

অতিরিক্ত ওজন কারও কাম্য নয়। অনেকেই আছেন, যারা ওজন কমাতে অনেক টাকা খরচ করেও নিজেদের ফিট রাখতে পারেন না। অনেক সময় বিশেষ অস্ত্রোপচারের আগে জরুরি ভিত্তিতে রোগীর ওজন কমানোর দরকার পড়ে। অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। তাই এখন অনেকেই চেষ্টা করেন, অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে। কিন্তু চাইলেই তো আর ওজন কমানো যায় না। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা ও যথাযথ খাদ্যাভ্যাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিনটি সবজির কথা, যা সাহায্য করতে পারে ওজন কমাতে। ব্রকলি ব্রকলিতে ক্যালোরির মাত্রা কম। কিন্তু ভিটামিন সি ও ফাইবারের মাত্রা বেশি। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ভিটামিন সি-র অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট:
আরও পড়ুন
কিডনি রুগীদের জন্য পুষ্টিকর খাবার

কিডনি রুগীদের জন্য পুষ্টিকর খাবার

কিডনি রোগের বিভিন্ন ধাপ অনুযায়ী রোগীর পুষ্টির চাহিদাও ভিন্ন হয়। এছাড়াও কিডনি রোগের পাশাপাশি অন্যান্য রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও কোলেস্টেরল থাকলে পুষ্টি চাহিদার ভিন্নতা বাড়ে। সুতরাং পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী একটি পরিপূর্ণ খাদ্যতালিকা ও পুষ্টি তথ্য কিডনি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। কিডনি রোগীর খাদ্যতালিকার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, রোগীর কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাসের পরিমাণ কমিয়ে আনা, শরীরের অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা বজায় রাখা এবং ইলেক ট্রলাইটের সাম্যতা বজায় রাখতে সহায়তা করা এবং সর্বোপরি রক্তে বর্জ্য ও তরল পদার্থ নিয়ন্ত্রণ করা, কিডনির কাজের চাপ কমিয়ে আনা। খাদ্যতালিকা প্রস্তুতির সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে রোগী যেন পরিপূর্ণ পুষ্টি ও ক্যালরি পায় যদি তার ওজনের আধিক্য না:
আরও পড়ুন
শিশুদের ভাইরাস জ্বর হলে করণীয়?

শিশুদের ভাইরাস জ্বর হলে করণীয়?

শরীরের উষ্ণতা বৃদ্ধি (>৯৮.৬০ ফাঃ) বা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রাকে জ্বর বলা হয়। জ্বর সাধারণত শরীরের কোন অসুস্থতা বা সংক্রমণের লক্ষণ অর্থাৎ জ্বর কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ মাত্র। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতির সভাপতি ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মনজুর হোসেন। তা হলো ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। যা দিয়ে শরীর স্পর্শ না করেই শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করা সম্ভব। আমরা সাধারণত থার্মোমিটার এক মিনিট জিহ্বা বা বগলের নিচে রেখে তাপমাত্রা নির্ণয় করি। তবে শিশুদের মুখে থার্মোমিটার দেয়া উচিত নয়। ডিজিটাল থার্মোমিটারে শব্দ করলে বুঝতে হবে যে তাপমাত্রা মাপা শেষ। আর ইনফ্রারেড থার্মোমিটার সাধারণত কপালের সামনে ধরলেই তাপমাত্রা:
আরও পড়ুন
সাপোজিটোরি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

সাপোজিটোরি ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

যখন কারও জ্বর বা ব্যথা দ্রুত কমাতে  চাই বা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চাই, তখন আমরা সাধারণত সাপোজিটোরি ব্যবহার করে থাকি। পায়খানার রাস্তার আশপাশে রক্তনালি বেশি থাকে। ফলে সাপোজিটোরি দ্রত রক্তে মিশে কাজ করতে পারে এবং জ্বর বা ব্যথা দ্রুত কমাতে পারে। * জ্বর সাধারণত ১০২ ডিগ্রির  ওপরে না গেলে সাপোজিটোরি দেবেন না। * প্রথমেই সাপোজিটোরি না  দিয়ে মুখে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিন। ১ ঘণ্টা পর যদি জ্বর না কমে বরং ১০২ ডিগ্রির বেশি হয়ে যায়,  তখন সাপোজিটোরি ব্যবহার করুন। * দিনে তিনটির বেশি  সাপোজিটোরি ব্যবহার করা উচিত নয়। জ্বর হলেই ইচ্ছামতো  অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.