স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

ক্লিনিক-হাসপাতালের সাইনবোর্ডে থাকতে হবে লাইসেন্স নম্বর

ক্লিনিক-হাসপাতালের সাইনবোর্ডে থাকতে হবে লাইসেন্স নম্বর

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকের সাইনবোর্ডে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ লাইসেন্স নম্বর যুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর । অনুমোদনহীন চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধের অভিযানের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, ও ব্লাড ব্যাংকে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ লাইসেন্স নম্বর সাইনবোর্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে কিউআর কোডসহ সেটি প্রদর্শন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা:
আরও পড়ুন
যেসব কারণে রক্ত ওঠা-নামা করে

যেসব কারণে রক্ত ওঠা-নামা করে

রক্ত উঠানামা একটি জটিল স্বাস্থ্যগত সমস্যা। কারো কারো ক্ষেত্রে রক্তচাপ খুব অস্বাভাবিক বেড়ে যায়, আবার কখনও রক্তচাপ অস্বাভাবিক কমে যায়। এমনটি কোনো কোনো সময় বিপজ্জনক। রক্তচাপ উঠানামা করার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মেডিনোভা হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান রক্তচাপ কেন ওঠানামা করে রক্তচাপ অনেক কারণে ওঠানামা করতে পারে। কিছু রোগীর কারণে, কিছু খাবারের কারণে, কিছু রক্তচাপ মাপার মেশিনের কারণে, কিছু রক্তচাপ মাপার পদ্ধতিগত সমস্যার কারণে ও পরিবেশগত কারণে রক্তচাপ ওঠানামা করতে পারে। রোগীর কী কী কারণে রক্তচাপ ওঠানামা করে রোগী দুশ্চিন্তা করলে রক্তচাপ হঠাৎ খুব বেড়ে যেতে পারে আবার দুশ্চিন্তা কমে:
আরও পড়ুন
অনুমোদনহীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফের অভিযান; স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

অনুমোদনহীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফের অভিযান; স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ঢাকা: অননুমোদিত হাসপাতাল এবং ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আবারও অভিযানে চালানো হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে গত ২৬ মে একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার (২৮ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এ তথ্য জানান। তিনি বলেন., অননুমোদিত হাসপাতাল, ব্লাডব্যাংক বন্ধে আমরা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশনে যাচ্ছি। ৭২ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে অভিযান চালানো হবে। আগামী সোমবার (২৯ আগস্ট) থেকে বুধবার (৩১ আগস্ট) পর্যন্ত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, যে সব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আছে অথচ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সব শর্ত মানছে না, পরিস্থিতির উন্নতি করার জন্য তাদের তিন মাস সময়:
আরও পড়ুন
যেসব লক্ষণে বুঝবেন হাইপোগ্লাইসেমিয়া, করণীয় কি?

যেসব লক্ষণে বুঝবেন হাইপোগ্লাইসেমিয়া, করণীয় কি?

ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কাছে হাইপো (হাইপোগ্লাসেমিয়া) একটি প্রচলিত শব্দ। বিশেষ করে টাইপ-১ বা ইনসুলিন-নির্ভরশীল রোগীদের ক্ষেত্রে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। স্বাভাবিক মাত্রা হলো খালি পেটে ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটারে এবং খাবারের ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটারে থাকা উচিত। রক্তের শর্করা ঘন ঘন কমে গেলে বা বেশি হলে দেহ ও মনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়। খুব বেশি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। কারণ * ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা বা ওষুধের মাত্রা বেশি এবং খাবার কম হলে, অর্থাৎ খাবার ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে। * সময় না মেনে দেরিতে খাবার খেলে। *:
আরও পড়ুন
লাল মাংস শরীরের জন্য উপকারী না ক্ষতিকর?

লাল মাংস শরীরের জন্য উপকারী না ক্ষতিকর?

লাল মাংসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শুনতে শুনতে অনেকে খাদ্যতালিকা থেকে এটি বাদ দিয়ে দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, লাল মাংস যা গরুর মাংসে পাওয়া যায় তাতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান থাকে। পরিমিত লাল মাংস শরীরের জন্য উপকারী। তবে বেশি খেলে সেটি বিপদ ডেকে আনে। লাল মাংসের খাদ্য উপাদান এর উপকারি ও ক্ষতিকর দিক নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মেডিনোভা হাসপাতালের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান ফারুক। লাল মাংস যা গরুর মাংসে পাওয়া যায় তাতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান থাকে। গরুর মাংসে আয়রন বা লোহা পাওয়া যায় যা অন্ত:সত্ত্বা নারী, বাড়ন্ত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে, এ:
আরও পড়ুন
যেসব বিষয়ের উপর   নির্ভর করে শিশুর উচ্চতা

যেসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে শিশুর উচ্চতা

সব শিশুর বৃদ্ধি সমান হয় না। অনেকের মানসিক বিকাশ ঘটলেও শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে শিশুর উচ্চতা। কোনো শিশু বড় হয়ে কতটা লম্বা হবে তা জন্মের পরপরই সঠিকভাবে বলে দেওয়া না গেলেও মা-বাবার উচ্চতা মেপে চিকিৎসকরা একটা আন্দাজ করতে পারেন। ষোল-সতেরো বছর পর্যন্ত কারও লম্বা হওয়ার সময়। এরপর পঁচিশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২/১ সেন্টিমিটার উচ্চতা বাড়তে পারে; এরপর আর নয়। সাবালক হওয়ার পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। কোনো শিশু জন্মের সময় ২০ ইঞ্চি লম্বা হলে প্রাপ্ত বয়সে যদি ৬ ফুট (৭২ ইঞ্চি) উচ্চতা হতে হয় তবে তাকে ১৪ বছরে আরও ৫০ ইঞ্চি লম্বা:
আরও পড়ুন
জেনেনিন বেগুনের যত গুণ

জেনেনিন বেগুনের যত গুণ

সারাবছরই বেগুন পাওয়া যায়। রান্না, ভাজি, ভর্তা সবভাবেই এই সবজি খাওয়া যায়। বেগুন খেতে যেমন স্বাদের তেমনি গুণেও অনন্য। বেগুন খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়- ১. ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস নামের একটি উপাদান থাকে এই সবজিতে। এই উপাদান স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভাল রাখে। সেই কারণেই কেউ কেউ বেগুনকে ‘ব্রেন ফুড’ বলে থাকেন। ২. হাড় মজবুত করতে বেগুন খুবই উপকারী। অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে এই সবজি খুবই কাজে দেয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। ৩. বেগুনের মধ্যে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের উপাদান রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ম্যাঙ্গানিজ থাকে। ৪. এই সবজি অ্যানিমিয়া রোধেও কাজে দেয়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে:
আরও পড়ুন
চায়ের সঙ্গে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক না

চায়ের সঙ্গে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক না

সকালের আলসেমি কাটাতে এক কাপ চায়ের বিকল্প নেই। যেকোন আড্ডাতেও সবার চা চাই। তবে চায়ের সঙ্গে চপ, শিঙারা, চানাচুরের মতো মুখরোচক খাবার থাকলে আড্ডা যেন আরও জমে ওঠে। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো চায়ের সঙ্গে খাওয়া একেবারেই ঠিক না। এতে বদহজম, গ্যাস কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো নানা শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই, চায়ের সঙ্গে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক নয়: ময়দার তৈরি খাবার : চায়ের সঙ্গে ময়দার তৈরি বিস্কুট খান অনেকেই। চায়ে বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়ার আলাদাই আনন্দ। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, চায়ের সঙ্গে ময়দার তৈরি বিস্কুট বা অন্য কোনও খাবার না খাওয়াই ভাল। এই অভ্যাস হজমজনিত নানা সমস্যার সৃষ্টি করতে:
আরও পড়ুন
যে’সব খাবার ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়

যে’সব খাবার ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়

কর্মব্যস্ততার কারণে প্রতিদিন বাজারে যাওয়া সম্ভব হয় না। এ কারণে অনেকেই একসঙ্গে অনেক বাজার এনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখেন।  এমন কিছু খাবার আছে যা ফ্রিজে রাখা মোটেও ঠিক নয়। এতে খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়। যেমন- বাদাম এবং ড্রাই ফ্রুটস :  বাদাম এবং ড্রাই ফ্রুটস ফ্রিজে রাখার কোনো দরকার নেই। এগুলো এয়ারটাইট বক্সে ভরে ঘরোয়া তাপমাত্রাতেই রাখা ভালো। আচার : আচারেও প্রিজারভেটিভ বেশি থাকায় ফ্রিজের বাইরেই একেবারে তাজা থাকে। এটি এমন জায়গায় রাখা উচিত যেখানে প্রচুর বাতাস চলাচল করে। কফি : এয়ার টাইট পাত্রে কফি সবচেয়ে ভালো থাকে। ফ্রিজে কফি রাখলে জমে যায় এবং স্বাদও নষ্ট হয়ে যায়। তাই ফ্রিজের পরিবর্তে সবসময়:
আরও পড়ুন
মাশরুম কেনো খাবেন?

মাশরুম কেনো খাবেন?

বয়স বাড়ার সাথে সাথে নানা রোগ শরীরে বাসা বাধে এই চিন্তা আমাদের অসুস্থতা আরও হাজারগুণ বাড়িয়ে দেয়। এবার জেনে নিন মাশরুমের কিছু জাদুকরী উপকারের কথা: রক্তের কোলেস্টেরল: মাশরুম আপনাকে দেবে বিশুদ্ধ হালকা প্রোটিন। কারণ এটি কোলেস্টেরলমুক্ত এবং এতে কার্বোহাড্রেটের পরিমাণও কম। এর ফাইবার এবং বিভিন্ন এনজাইম রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্র কমাতে সাহায্য করে। মাশরুমের প্রোটিন পরিপাকের সময় কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। স্তন ও প্রোস্টেট ক্যানসার: মাশরুম স্তন ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী কারণ এতে রয়েছে বিটা-গ্লুকাগন এবং লিনোলিক এসিড, যাদের এন্টি ক্যানসার এক্টিভিটি রয়েছে। লিনোলিক এসিড এস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষতিকারক প্রভাব প্রশমিত করে, যা স্তন ক্যানসারের সবচেয়ে বড় কারণ। আর:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.