স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

ঘাড়ে যন্ত্রণা:  দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

ঘাড়ে যন্ত্রণা: দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

কাজের চাপ এমনই যে প্রায় সারাক্ষণ সকলেই ল্যাপটপ-মোবাইলে কাজ করছেন। দীর্ঘক্ষণ এভাবে কাজ করলে ঘাড়ে ব্যথা হওয়া খুব স্বাভাবিক। চিকিৎসকেরা সব সময়ই বলেন- কাজের ফাঁকে কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম নিতে। অ্যান্টিক্লক ওয়াইজ ঘাড় ঘুরিয়ে ব্যায়াম করতে। তবে অধিকাংশই তা করেন না। অনেকে সময়ও পান না। এই কারণেই বাড়ছে সমস্যা। ঘাড়ে যন্ত্রণা হলে কাজে মন বসে না। যে কোনও শারীরিক অস্বস্তি নিয়েই মন দিয়ে কাজ করা যায় না। একটানা বসে থাকলে ঘাড়, পিঠ সবই ব্যথা করতে থাকে। তাই ঘাড়ে যন্ত্রণা হলে সাবধান। অনেক সময় বসার দোষেও কিন্তু এই সমস্যা হয়। শুধুমাত্র পেইনকিলার খেয়ে বা ঘাড়ে কোনও অয়েন্টমেন্ট ম্যাসাজ করে এই সমস্যার:
আরও পড়ুন
ডালিমের যত সপুষ্টিগুণ

ডালিমের যত সপুষ্টিগুণ

ডালিম মজাদার ও পুষ্টিকর এক ফল যা বছরের প্রায় সব সময়ই পাওয়া যায়। ডালিমে রয়েছে প্রচুর ফসফরাস যা কমলা, আপেল ও আমের চেয়ে চার গুণ বেশি। আতা ও আঙুরের চেয়ে দ্বিগুণ, কুল ও আনারসের চেয়ে সাত গুণ বেশি। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম আহার-উপযোগী ডালিমে রয়েছে শর্করা ১৪.৫ গ্রাম, প্রোটিন ১.৬ গ্রাম, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০ মি.গ্রা, ফসফরাস ৭০ মি.গ্রা, আয়রন ০.৩ মি.গ্রা, ভিটামিন সি ১৪ মি.গ্রা, খাদ্যশক্তি ৬৫ কিলোক্যালরি। তবে ডালিমের উল্লিখিত পুষ্টিমান উৎপাদনের স্থান, জাত ও মানের ওপর হেরফের হতে পারে। ডালিমে রয়েছে উপকারী উপাদান ফাইটোকেমিক্যাল যা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আজকাল বিজ্ঞানীরা ডালিমের পুষ্টিগুণের ওপর:
আরও পড়ুন
কাঁচা হলুদের উপকারিতা

কাঁচা হলুদের উপকারিতা

কিন্তু কথায় কথায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লে সমস্যা বাড়ে। কাজেও তার ছাপ পড়ে। কমে কাজ করার ক্ষমতা। তবে ওষুধ খেয়ে উদ্বেগ কমাতে চান না অনেকেই। মনে করেন, একবার ওষুধ খেতে শুরু করলে তার উপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে।নিয়মিত ধ্যান করলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় যেকোনও মানসিক সমস্যা। তবে আরও একটি ঘরোয়া টোটকা রয়েছে। প্রতিদিন একটু করে কাঁচা হলুদ খেতে হবে মাত্র। তাহলেই অনেকটা শান্ত থাকবে মন। উদ্বেগ-হতাশায় ভুগলে প্রতিদিন কতটুকু হলুদ খেতে হবে? গবেষকেরা দেখেছেন,প্রতিদিন ১৫০-২৫০ মিলিগ্রাম হলুদ খেলেই যথেষ্ট কাজ হয়। তবে ব্যক্তি বিশেষে হলুদের পরিমাণ কম বা বেশি প্রয়োজন হতে পারে। তবে নিয়মিত হলুদ খেতে শুরু করার আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ:
আরও পড়ুন
শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে

শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে

সুস্থ থাকার জন্য শরীরে সকল পুষ্টি সমানভাবে জরুরি। প্রতি দিনের ডায়েটে যেমন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট রাখতে হবে, তেমনই ভিটামিন ও মিনারেলও প্রয়োজন। আর এই মিনারেলের তালিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ক্যালশিয়াম। আমাদের হাড়, দাঁত সুস্থ রাখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হল ক্যালশিয়ামের। শরীরে যদি ক্যালশিয়ামের ঘাটতি দেখা যায় তাহলে ধীরে ধীরে হাড় ক্ষয় হতে শুরু করে। যদিও শরীরে এই খনিজের অভাব হলে কয়েকটি লক্ষণ দেখা যায়। সেগুলো কী চলুন দেখে নেওয়া যাক- হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গগুলো অনেক সময় শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি থেকে দেখা যেতে পারে। মূলত ক্যালশিয়ামের ঘাটতির কারণে অনেক সময় শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। পাশাপাশি তৈরি হয় অনিদ্রার সমস্যাও।:
আরও পড়ুন
বিট ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে

বিট ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে

শুধু শীতকালীন সবজি হিসেবে নয়, সারাবছরই বাজারে বিট পাওয়া যায়। তবে এই সবজি শুধু শুধু খেতে যদিও অনীহা অনেকের। কিন্তু যারা স্বাস্থ্য সচেতন, তারা বিট প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখেন। কারণ বিটের মধ্যে এমন বহু পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা জটিল রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে।  কাঁচা খেলে এর গুণাগুণ পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। কী কী ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়- ১. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে বিট। কারণ এর মধ্যে রয়েছে নাইট্রেট। ২. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কারণ এর মধ্যে ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম। ৩. ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত বিট খেলে দারুণ উপকার পাবেন। কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে রাখে বিট। ৪. বিটের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার:
আরও পড়ুন
সকালে খালি পেটে পানি  পান করার উপকারিতা

সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

 বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে তা হজমের ক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। তাতে পেটে গ্যাস ও পেট ফুলে থাকার মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। খালি পেটে পানি পান করলে শরীর থেকে টক্সিনও দূর হয়ে যায়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা কী কী, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক- প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানি পান করার অভ্যাস করুন। তাতে শরীরের রক্ত পরিশোধিত হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে অন্তত ৩ গ্লাস কুসুম কুসুম পানি পান করলে প্রস্রাবের মাধ্যমে সারারাত জমে থাকা:
আরও পড়ুন
বদহজম সমস্যা দূর করবেন যেভাবে

বদহজম সমস্যা দূর করবেন যেভাবে

অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার কারণে অনেক সময় বদহজম হয়। আবার ভ্যাপসা গরমেও হজমে সমস্যা দেখা দেয়। বদহজম, অ্যাসিডিটি, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, ঢেকুর ও বাতাস নির্গমনের মতো বিরক্তিকর সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু পরামর্শ মেনে চলতে পারেন- * খাওয়ার সময় তাড়াহুড়া করবেন না। সময় নিয়ে, ধীরে-সুস্থে ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া শেষ করবেন। তাড়াহুড়া করে খেতে গিয়ে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। তা ছাড়া পেটে খানিকটা বাতাসও ঢুকে যায়। * খাওয়ার সময় ও মাঝখানে বেশি পানি পান করলে পাকস্থলীর অ্যাসিড দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভালো করে খাবার ভাঙতে পারে না। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। খাওয়ার সময়:
আরও পড়ুন
হাড়ের সমস্যার লক্ষণগুলো জেনে নিন

হাড়ের সমস্যার লক্ষণগুলো জেনে নিন

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্যেরও অবক্ষয় হয়। হাড়ের যত্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই খুব উদাসীন। হাড়ের সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধার আগে কিছু উপসর্গ দেখা যায়। এমন উপসর্গ দেখলে আগে থেকেই সতর্ক হন। অনেকেই পিঠে ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। নানা কারণেই এই ব্যথা হতে পারে। শরীরচর্চা ও যোগাসনের মাধ্যমে এই ব্যথা দূর করা সম্ভব। তবে এই সমস্যা দীর্ঘদিনের হলে বুঝবেন আপনার হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল নেই। নখের স্বাস্থ্যও বলে দেবে আপনার হাড় মজবুত আছে কি না। বারবার নখ ভেঙে গেলে বুঝতে হবে শরীর দুর্বল হাড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কোনও কিছু আঁকড়ে ধরতে গেলে হাতে ব্যথা লাগছে? হাড়ের শক্তি ও নমনীয়তা হ্রাস পেলে এমনটা হতে:
আরও পড়ুন
অতিরিক্ত মাংস বেশি খেয়ে ফেললে যা করবেন

অতিরিক্ত মাংস বেশি খেয়ে ফেললে যা করবেন

কোরবানির ঈদে অনেক খাবার খাওয়া হয়ে থাকে। বিশেষ করে পাতে মাংসের আধিক্য থাকে। দু’এক টুকরো গরু কিংবা খাসির মাংস খেলে সমস্যা নেই। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া মোটেও ঠিক নয়; যা শারীরিক অস্বস্তি ও অসুস্থতার কারণ হতে পারে। তবে অতিরিক্ত মাংস যদি খেয়েই ফেলেন, তবে কিছু কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। আসুন জেনে নিই বেশি মাংস খাওয়ার পর কী করবেন- ১. প্রতিদিন মাংস খাওয়া ঠিক নয়। প্রতিদিন মেন্যুতে মাংস বা মাংসজাতীয় খাবার না রাখাই শ্রেয়। ভর্তা, ভাজি, ডাল-ভাতের মতো সাধারণ খাবারই হবে সঠিক মেন্যু। ২. যেদিন মাংস একটু বেশি খাওয়া হবে, সেদিন অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি হাঁটুন। ২০-৩০ মিনিট হাঁটুন। এমনভাবে হাঁটতে হবে:
আরও পড়ুন
যে ৫ উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন থাইরয়েড সমস্যা

যে ৫ উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন থাইরয়েড সমস্যা

থাইরয়েডের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। থাইরয়েড আমাদের শরীরে গলায় অবস্থান করে। এটি দেখতে অনেকটা প্রজাপতির মতো। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি হরমোন তৈরি হয়। সাধারণত দুই ধরনের থাইরয়েড সমস্যা দেখা যায়। হাইপারথাইরয়েডিজম ও হাইপোথাইরয়েডিজম। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন এই সমস্যা থেকে- যদি ডায়েট করে থাকেন তাহলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত ফল ও শাক-সবজি খান। কারণ এইগুলো থাইরয়েডের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও ভিটামিন-বি ১২ যুক্ত খাবার থাইরয়েড গ্রন্থিকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই খাবারের তালিকায় রাখুন আয়রনযুক্ত খাবার। যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না, তখন থাইরয়েড হরমোন:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.