স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

যে ৫ খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

যে ৫ খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার এবং নিয়ন্ত্রিত  জীবনধারাই হল সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। পাশাপাশি জটিল রোগ, যেমন- ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই অভ্যাস। বিশেষত যে সকল খাবারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  রয়েছে ভরপুর পরিমাণে তা নিয়মিত খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু খাবার রাখা জরুরি। যেগুলো ক্যান্সারের আশঙ্কা কমাতেও সাহায্য করে। যেমন- ১. আখরোটে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। নিয়মিত খেলে স্তন, প্রোস্টেট, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ২. প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ব্রকোলি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। এর মধ্যে বিশেষ কিছু খাদ্যগুণ রয়েছে, যা ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায়। ৩. ওটসের মধ্যেও রয়েছে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্য ভাল:
আরও পড়ুন
পান্তা ভাতে বহু উপকার

পান্তা ভাতে বহু উপকার

পান্তা ভাত অনেকেই খেয়ে থাকেন। খাবারটি গ্রীষ্মের জন্য উপযুক্ত। কারণ, এটি পাচনতন্ত্রকে ঠান্ডা করে এবং শরীরকে তাপ থেকে রক্ষা করে। আলু ভাজা, কাঁচা লঙ্কা, পিয়াজ, লেবু, মাছ ভাজা, পাঁপড় এবং পোঁড়ানো শুকনো লঙ্কা- বাড়িতে যা-ই থাকুক না কেন, তাই দিয়েই জমে যায় পান্তা। পান্তায় প্রচুর পরিমাণে শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে। পান্তায় প্রচুর আয়রন থাকে। এটি শরীরে রক্ত ​​বৃদ্ধি করে রক্তাল্পতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, পান্তা ভাতে সাধারণ ভাতের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে। হজম করাও সহজ।
আরও পড়ুন
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্য এমন এক সমস্যা, যা বাকিসব প্রশান্তিকে নষ্ট করে ফেলে। এর ফলে খাবারে অরুচি, খিটখিটে মেজাজ অহরহই দেখা যায়। কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে কিছু ঘরোয়া উপায় ফলো করে দেখতে পারেন। পুদিনা বা আদার চা: পুদিনায় মেনথল থাকে, যার রয়েছে অ্যান্টিস্প্যাজমোডিক ইফেক্ট যা পরিপাক নালীর মাংসপেশীকে শিথিল করে। আদা একটি উষ্ণ হার্ব যা শরীরের ভেতরে অধিক তাপ উৎপাদন করে, হার্বালিস্টদের মতে এটি ধীর হজমকে দ্রুত করতে পারে। পুদিনা বা আদার চা খাবার হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। লেবু পানি: লেবুর রসের সাইট্রিক অ্যাসিড পরিপাকতন্ত্রে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে ও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম করে।:
আরও পড়ুন
সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

প্রতিদিন ৫-৬ লিটার পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে, তা হজমের ক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। খালি পেটে পানি পান করলে শরীর থেকে টক্সিনও দূর হয়ে যায়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা কী কী, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক- প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানি পান করার অভ্যাস করুন। তাতে শরীরের রক্ত পরিশোধিত হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে অন্তত ৩ গ্লাস কুসুম কুসুম পানি পান করলে প্রস্রাবের মাধ্যমে সারারাত জমে থাকা ময়লা দূর হয়ে:
আরও পড়ুন
তরতাজা ইলিশ মাছ চিনবেন যেভাবে

তরতাজা ইলিশ মাছ চিনবেন যেভাবে

ইলিশ মাছ যদি খাঁটি না হয় তবে খেতে বসে খাওয়ার মজাই আলাদা হয়ে যায়। কোল্ড স্টোরেজের ইলিশ আর সাগরের তাজা ইলিশের মধ্যে বেশ কিছু তফাত রয়েছে ; যা নতুন বাজারিদের বোঝা মুশকিল। চলুন কয়েকটা ছোট্ট টিপস শেয়ার করে নেওয়া যাক। নদীর ইলিশ বিশেষ করে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ একটু বেশি উজ্জ্বল। নদীর ইলিশ চকচকে বেশি হবে, বেশি রুপালি হবে গায়ের রং। সাগরের ইলিশ তুলনামূলক কম উজ্জ্বল। পদ্মা-মেঘনা অববাহিকার ইলিশ মাছের আকার হবে পটলের মতো অর্থাৎ মাথা আর লেজ সরু আর পেটটা মোটা। এ ক্ষেত্রে লেজের একটু ওপর থেকেই মাছটা গোল হতে শুরু করবে। তবে স্বাদ বেশি হবে মিঠা পানি অর্থাৎ:
আরও পড়ুন
যেসব কারণে পেপটিক আলসার হয়, সমাধান

যেসব কারণে পেপটিক আলসার হয়, সমাধান

প্রত্যেকটি মানুষেরই গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রয়েছে। কারো কারো আলসারও হয়। সাধারণ লোকজন গ্যাস্ট্রিক বা আলসার বলতে যা বুঝিয়ে থাকেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে পেপটিক আলসার বলা হয়ে থাকে। * রোগ-জীবাণু : হেলিকোবেক্টার পাইলোরি নামক এক প্রকার অনুজীব এ রোগের জন্য বহুলাংশে দায়ী। * বংশগত : নিকটতম আত্মীয়-স্বজন এ রোগে ভুগে থাকলে তাদের পেপটিক আলসার হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। রক্তের গ্রুপ ‘ও’ তাদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশি। * ধূমপান : ধূমপায়ীদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশি। * ওষুধ : ব্যথানাশক ও স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসা ঔষধ : পেপটিক আলসারের রোগীরা সাধারণত এন্টাসিড, রেনিটিডিন, ফেমোটিডিন, ওমিপ্রাজল, লেনসো প্রাজল, পেনটো প্রাজল:
আরও পড়ুন
আদনান সামি ১৬ মাসে ১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন যেভাবে

আদনান সামি ১৬ মাসে ১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন যেভাবে

আদনান সামি সব সময় যে বিষয়টি তাকে বিতর্কিত করেছে তা হলো তার ওজন। এমনকি ফিল্ম ভ্রাতৃত্বের মানদণ্ড অনুসারে নিখুঁত আকার থেকে দূরে ছিলেন বলে লজ্জা পেয়েছিলেন তিনি। আমাদের অনেকেই আছেন যারা ওজন কমাতে চাইলেও পারছেন না। তারা চাইলেই অনুপ্রেরণা নিতে পারেন আদনান সামির থেকে। চলুন দেখে নেওয়া যাক ১৬ মাসে কীভাবে ১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন আদনান সামি। আদনানের ব্যায়াম রুটিন : আদনান এতটাই স্থূল হয়ে গিয়েছিল যে শরীরের চাপের কারণে তিনি জিমে যেতে পারেননি। ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়। ৪০ কেজি ওজন কমার পর ট্রেডমিলে শুরু করেন হালকা ব্যায়াম। প্রতি মাসে গুণী এই গায়ক ১০ কেজি করে ওজন কমেয়িছেন। আদনানের জীবনের:
আরও পড়ুন
বর্ষাকালে কানের যত্ন নিবেন যেভাবে

বর্ষাকালে কানের যত্ন নিবেন যেভাবে

বর্ষাকালে বাতাসে জলীয়বাষ্পের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। বাতাসে আর্দ্রতা বৃদ্ধি মানেই তা বিভিন্ন জীবাণুর বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ। কানে সংক্রমণের কারণ- কানে ছত্রাক সংক্রমণকে চিকিৎসার পরিভাষায় অটোমাইকোসিস বলে। ফ্যাঙ্গাস ছাড়াও কানে অন্যান্য সংক্রমণের কারণগুলি হ- ঠান্ডা লাগা এবং অ্যালার্জি। স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি এবং হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণেও কানে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সারাবছরই ঘটলেও বর্ষাকালে এই ধরনের সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন- এছাড়া কানের ময়লা বা ওয়াক্স সঠিকভাবে বেরতে না পারলেও তা ছত্রাক সংক্রমণে ইন্ধন জোগায়। কানে সংক্রমণের উপসর্গ- কান বন্ধ, কানে অস্বস্তি, কান ফুলে যাওয়া, হালকা চুলকানি, কানে ব্যথা, শ্রবণক্ষমতা কমে যাওয়া, কান থেকে:
আরও পড়ুন
কিডনি রোগের লক্ষণগুলো জেনে নিন

কিডনি রোগের লক্ষণগুলো জেনে নিন

কিডনির সমস্যা সময় থাকতে না সামলানো গেলে প্রাণ নিয়ে টানাটানি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। জেনে নিন কী কী লক্ষণ থাকলে আগেই হতে হবে সতর্ক। ১. অনিদ্রা কিডনি ঠিকঠাক না কাজ করলে মূত্রের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থগুলো দেহের বাইরে বের হতে পারে না। এটি অনিদ্রার অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত মানুষদের ঘুম না আসার সমস্যা সুস্থ মানুষদের তুলনায় অনেক বেশি। ২. সব সময় ক্লান্ত লাগা কাজ কর্মের উদ্যম হারিয়ে ফেলা কিডনির সমস্যার অন্যতম প্রধান একটি লক্ষণ। কিডনির মূল কাজই হল রক্তকে পরিশুদ্ধ করা। কাজেই কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে বিষাক্ত ও অপ্রয়োজনীয় উপাদান বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে ক্লান্ত লাগে।:
আরও পড়ুন
তীব্র গরমেও সুস্থ থাকবেন যেভাবে

তীব্র গরমেও সুস্থ থাকবেন যেভাবে

গরমকাল চলছে প্রকৃতিতে। একদিন বৃষ্টি না হলেই ভ্যাপসা গরম। ঘর থেকে বের হলেই ঘেমে অস্থির। ঘরে সিলিং ফ্যানের বাতাসও যথেষ্ট নয়। এমতাবস্থায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গ্রীষ্মের গরমে ঘরের বাইরে রোদে ব্যায়াম করে শরীর ক্লান্ত তো হয়, ঘেমে নেয়ে উঠেন অনেকে। সাঁতার কাটা, সাইকেল চালান, দৌঁড়ান, হাঁটা যাই হোক না কেন। আর কড়ারোদে বেশ কিছু সময় ব্যায়াম করলে বিপদ হতে পারে যখন-তখন। ব্যায়ামের আগে শরীর যেন জলপূর্ণ থাকে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন। শ্বাস ছাড়ছেন, ঘামছেন, প্রস্রাব করছেন, জল তো বেরুচ্ছেই শরীর থেকে। জলের অভাবে শরীরে হবে পানিশূন্য। প্রতিদিন তাই জল পরিপূর্ণ চাই, শরীরের কাজকর্ম যাতে ঠিকমতো চলে সেজন্য যথেষ্ট পানি:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.