স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাবেন যে পাঁচ খাবার

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাবেন যে পাঁচ খাবার

আজকাল ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভোগেন বহু মানুষ। আর এই রোগের হাত ধরেই জন্ম নেয় কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো নানা ধরনের সমস্যা। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে খাবারগুলো খাওয়া দরকার কলা: আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা অনুযায়ী, রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলা বেশ কার্যকর হতে পারে। ডায়াবেটিস থাকায় অনেকেই কলা এড়িয়ে চলেন। তবে গবেষকরা বলছেন- কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর নয়। করলা: ডায়াবেটিসের মহৌষধ হল করলা। চিকিৎসকরা ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন করলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রক্তে শর্করার পরিমাণ হ্রাস করতে এর জুড়ি নেই। বাদাম: ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস সমৃদ্ধ বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি কোলেস্টেরল, প্রদাহজনিত সমস্যা থেকে সুরক্ষিত থাকতে সাহায্য করে।:
আরও পড়ুন
ডাবের শাঁস দিয়ে করুন রূপচর্চা

ডাবের শাঁস দিয়ে করুন রূপচর্চা

নিয়মিত ডাবের পানি মাখলে ত্বক ভাল থাকে। ডাবের পানিতে ভিটামিন সি এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মত ত্বক-উজ্জ্বল এবং নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে দেবে ডাবের শাঁস- ত্বকের প্রাকৃতিক আভা বজায় রাখতে ডাবের শাঁস দিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগাতে পারেন। এর জন্য আগের রাতে ৫টি আমন্ড পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে আমন্ডগুলোকে পিষে নিন। এবার একটি পাত্রে এই আমন্ড বাটা, ২ চামচ নারকেলের দুধ, ১ চা চামচ মধু আর ১/২ চামচ ডাবের শাঁস নিন। মিশ্রণগুলি ভাল করে মিশিয়ে নিন। মেকআপ ব্রাশের সাহায্যে এই ফেসপ্যাকটি খুব ধীরে ধীরে মুখে লাগান। এটা ২০ মিনিট মুখে রেখে দিন। ফেসপ্যাকটা শুকনো হতে শুরু করলে:
আরও পড়ুন
নিমের যত উপকারিতা

নিমের যত উপকারিতা

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো; ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন:
আরও পড়ুন
যেসব লক্ষণে বুঝবেন  জরায়ু ক্যান্সার

যেসব লক্ষণে বুঝবেন জরায়ু ক্যান্সার

জরায়ু ক্যান্সার নারীর একটি জটিল রোগ। অনেক সময় উপসর্গ দেখা দিলেও অজ্ঞতার কারণে রোগী বোঝেন না যে তার ক্যান্সার হয়েছে। অথচ সতর্ক হলে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে জরায়ু ক্যান্সার থেকে বেঁচে থাকা যায়। জরায়ু ক্যান্সারের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ * গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পর পেট ভর্তি লাগা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি। পেটের কোনো সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। * নিম্নাঙ্গের চারপাশে চাপ লাগা কিংবা ঘনঘন মূত্রত্যাগ করা * অন্য সময়ের থেকে পেটে অনেক পরিবর্তন দেখা দেয়া। * পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা। * বমি বমি ভাব কিংবা বারবার বমি হওয়া। * ক্ষুধা:
আরও পড়ুন
কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে পটল

কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে পটল

বিশেষজ্ঞদের মতে, পটল ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা থেকে ওজন কমানো, হরেক রকমের গুণ রয়েছে পটলের। ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে: পটলে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ভিটামিন-সি জারণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট বিভিন্ন ক্ষতিকর ‘ফ্রি র‌্যাডিকেলের’ ক্রিয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-জ্বর প্রতিরোধ করতে কাজে আসতে পারে পটল। লিভারের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্যও পটল বেশ উপকারী। ২. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায়: পটলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফাইবার পাচনতন্ত্র ভাল রাখতে সাহায্য করে ও মল নির্গমনে সহায়তা করে। ফলে পটল খেলে যেমন একদিকে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল হতে পারে,অন্যদিকে পটল কোষ্ঠকাঠিন্য:
আরও পড়ুন
জেনে নিন হাড়ের সমস্যার লক্ষণগুলো

জেনে নিন হাড়ের সমস্যার লক্ষণগুলো

বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের স্বাস্থ্যেরও অবক্ষয় হয়। হাড়ের যত্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই খুব উদাসীন। হাড়ের সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধার আগে কিছু উপসর্গ দেখা যায়। চলুন জেনে নেই লক্ষণগুলোঃ ১) অনেকেই পিঠে ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। নানা কারণেই এই ব্যথা হতে পারে। শরীরচর্চা ও যোগাসনের মাধ্যমে এই ব্যথা দূর করা সম্ভব। তবে এই সমস্যা দীর্ঘদিনের হলে বুঝবেন আপনার হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল নেই। ২) নখের স্বাস্থ্যও বলে দেবে আপনার হাড় মজবুত আছে কি না। বারবার নখ ভেঙে গেলে বুঝতে হবে শরীর দুর্বল হাড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৩) কোনও কিছু আঁকড়ে ধরতে গেলে হাতে ব্যথা লাগছে? হাড়ের শক্তি ও নমনীয়তা হ্রাস পেলে এমনটা হতে:
আরও পড়ুন
বদহজমের সমস্যা দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

বদহজমের সমস্যা দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

খাবার বদহজম হলে শারীরিক অস্বস্তি, পেটে ব্যথা, জ্বলন ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি বমির মত উপসর্গও দেখা দেয়। ঘরোয়া উপায়ে বদহজম দূর করেবন যেভাবে জেনে নিন: আদা- আদায় জিঞ্জারোলসহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বদহজম এবং বমি বমি ভাব উপশম করার জন্য পরিচিত। এর ফেনোলিক যৌগগুলো গ্যাস্ট্রিক সংকোচন হ্রাস করে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালা উপশম করে। বেকিং সোডা- বেকিং সোডার মধ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট রয়েছে যা পেটের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করতে সহায়তা করে। পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মধু এবং লেবুর রস দিয়ে পান করলে আপনি বদহজমের সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন। ধনিয়ার বীজ- ধনিয়ার বীজ অ্যান্টিস্প্যাসমোডিক এবং বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত যা আপনাকে পেট খারাপ:
আরও পড়ুন
২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৮ ডেঙ্গু রোগী

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৮ ডেঙ্গু রোগী

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জন নতুন রোগী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জন নতুন রোগী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে নতুন কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়নি। বর্তমানে সারাদেশে সর্বমোট ৫১জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে একজন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আরও পড়ুন
কিডনিতে পাথরের কারণ ও সতর্কতা

কিডনিতে পাথরের কারণ ও সতর্কতা

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। কিডনিতে পাথর জমার কারণ- কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন- ১। শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া। ২। বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা। ৩। অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস। ৪। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য। কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ- ১। রক্তবর্ণের প্রসাব। ২। বমি বমি:
আরও পড়ুন
রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়লে করণীয়

রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়লে করণীয়

ইউরিক অ্যাসিড হলো রক্তের মধ্যে পাওয়া যাওয়া একটি রাসায়নিক। এই রাসায়নিক আমাদের সবার শরীরেই রয়েছে। কিন্তু সমস্যা তখন তৈরি হয় যখন এর পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বহুগুণ বেড়ে যায়। আসলে ইউরিক অ্যাসিড হল প্রাকৃতিক বর্জ্য। প্রোটিন জাতীয় খাদ্য থেকে শরীরে পিউরিন পৌঁছায়। ইউরিক অ্যাসিড আমাদের শরীর থেকে পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার হজমের পর নির্গত হয়। পিউরিন হল রাসায়নিক যৌগ যা কার্বন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে তখন হজমে সমস্যা হয়। কারণ আমাদের শরীর তা ঠিকমত হজম করতে পারে না। ফলে তখন শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের হয়ে যায় কিডনির মাধ্যমে।:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.