স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

মাংকিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য  সংস্থার সতর্কতা

মাংকিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাংকিপক্স। এরই মধ্যে ১৫টি এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে এই রোগ নিয়ে সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাংকিপক্সের প্রাদুর্ভাব এমন সব দেশে ঘটছে যেখানে এ ভাইরাসটির স্বাভাবিক আবাসস্থল নয়। আর মাংকিপক্সে যারা সংক্রমিত হচ্ছেন তাদের অনেকেই সমকামী বা উভকামী যুবক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী মাংকিপক্স রোগ মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। যাদের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তির সঙ্গে সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে এটি হচ্ছে। ডব্লিউএইচওর সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডেভিড হেম্যান জানিয়েছেন, এটি যৌন সংক্রমণের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে। এটা যৌনবাহিত রোগের মতোই সংক্রমিত হচ্ছে, যা ছড়িয়ে পড়ছে:
আরও পড়ুন
কালোজিরার যত গুণ

কালোজিরার যত গুণ

কালিজিরার বোটানিক্যাল নাম ‘নাইজিলা সাটিভা’ (Nigella sativa), এটি পার্সলে পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এটা রাজা টুটের সমাধি থেকে আবিষ্কৃত হয় এবং সে সময় এটা পরকালে ব্যবহার করা হয় বলে বিশ্বাস করা হতো। কালিজিরার মূল স্বাস্থ্য উপকারিতা- গুলোর কিছু নিচে উল্লেখ করা হলোঃ ১. কালিজিরা নিম্ন রক্তচাপ বৃদ্ধি ও উচ্চ রক্তচাপ হ্রাসের মাধ্যমে শরীরে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা সুনিশ্চিতে সহায়তা করে। ২. কালিজিরা মায়েদের বুকের দুধের প্রবাহ এবং স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৩. এটি শ্বসনতন্ত্র, সংবহন এবং ইমিউন সিস্টেম, পেট এবং অন্ত্র, কিডনি, এমনকি লিভার সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা করে। ৪. কালিজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস আয়ত্তে রাখতে সহায়তা করে। ৫. চুল:
আরও পড়ুন
পালং শাকের যত গুণ

পালং শাকের যত গুণ

মজবুত হাড় প্রতিদিন পালং শাক হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করতে পারে। পালং শাক ভিটামিন-কে এবং ক্যালসিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উৎস যা হাড়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সুস্থ হার্ট পালং শাকে উপস্থিত আয়রন আপনার হৃদয়ের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। আয়রন হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেশি রাখে যা রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে। পালং শাকে উপস্থিত নাইট্রিক অক্সিড অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। পালং শাকে নাইট্রেট আছে যা রক্তচাপ ঠিক রাখে। উন্নত দৃষ্টিশক্তি পালং শাক চোখ-বান্ধব পুষ্টি যেমন লুটেইন এবং জেক্সানথিন সমৃদ্ধ। আমাদের সকলকে প্রতিদিন ল্যাপটপ ব্যবহার করতে হয় যা চোখের উপর চাপ সৃষ্টি করে। তবে পালং শাকের সাহায্যে আপনি সেই চাপের ক্ষতি পূরণ করতে পারেন। স্বাস্থ্যকর:
আরও পড়ুন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করোলার রস উপকারি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করোলার রস উপকারি

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও মানসিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে জীবনের ঝুঁকি। শরীরে থাবা বসাচ্ছে ডায়াবেটিস। টাইপ-১ ডায়াবেটিসে শরীর ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। অন্যদিকে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে, শরীর ইনসুলিনের প্রতি ভালভাবে সাড়া দেয় না। টাইপ-২ ডায়াবেটিস অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের অভাব এবং জিনগত কারণের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এছাড়াও বয়স বৃদ্ধি, ঘুমের অভাব ইত্যাদি অনেক কারণও রয়েছে এর পিছনে। সেই সঙ্গে এই রোগ ধরা পড়লে জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। আর যদি তা না করা হয়, তা হলে শরীরে বাসা বাঁধে আরও অনেক রোগ। আপনি চাইলে সঠিক খাবার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এর পাশাপাশি পান করুন করলার রস। ২০১১ সালের জার্নাল:
আরও পড়ুন
গাজরে যত ‍পুষ্টিগুণ

গাজরে যত ‍পুষ্টিগুণ

গাজর এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর গাজর কাঁচা ও রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়। গাজরের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা- ১. দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে:গাজরে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন। এই বিটা ক্যারোটিন লিভারে পৌঁছে ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়, যা চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ২. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে: গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধক। গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত গাজর খেলে ফুসফুস, স্তন, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকটাই। ৩. হার্ট ভালো রাখে: গাজরে থাকা প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই উপাদানগুলো হার্টের ধমনির ওপর কোনো আস্তরণ জমা হতে দেয় না। সেই:
আরও পড়ুন
হৃদরোগ-ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে লিচু খাবেন

হৃদরোগ-ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে লিচু খাবেন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমকালে শরীরকে চাঙ্গা ও সুস্থ রাখতে প্রতিদিন খেতে পারেন এই ফল। অনেকে মনে করেন, লিচু বেশি খেলে পেটে ব্যথা শুরু হয়। কথাটি সত্য। তবে সঠিক নির্দেশিকা মেনে লিচু খেলে এই ফলের বিকল্প কিছু হয় না। এই ছোট ফলে ফাইবার, ফ্যাট,কার্বোহাইড্রেট ও চিনির মাত্রার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত খেলে কীভাবে শরীরকে সুস্থ রাখে, তা আজকের এই প্রতিবেদন থেকে দেখে নিন- লিভার ক্যান্সার রোধ: ক্যান্সার লেটার্স সায়েন্স জার্নাল অনুসারে, এই ফলের নির্যাসে ক্যান্সার প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা লিভার ক্যান্সারের কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। ওজন কমানো: বেশি পরিমাণে চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট থাকা সত্ত্বেও, নিয়মিত লিচু খাওয়া ক্লান্তি এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য:
আরও পড়ুন
যেসব অভ্যাস হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখবে

যেসব অভ্যাস হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখবে

শরীর সুস্থ রাখতে হার্টের সুস্থতা অনেক বেশি দরকার। আর এ জন্য দরকার স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা। আর তা যেন হয় জীবনের শুরুর দিক থেকে। সুস্থ জীবনযাপন হার্টের যেকোনো রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখেবে। তবে এ অভ্যাগুলো যেন ছোট বয়স থেকে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন : শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য। এটি হৃৎপিণ্ডের পেশিকে শক্তিশালী করতে, শরীরের ওজন ভালো রাখতে এবং উচ্চ কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করা এবং উচ্চ রক্তচাপ থেকে ধমনির ক্ষতি থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের কারণ হতে:
আরও পড়ুন
অ্যাজমার সমস্যা কমাতে ৫টি সাহায্যকারী খাবার

অ্যাজমার সমস্যা কমাতে ৫টি সাহায্যকারী খাবার

বর্তমানে অতিরিক্ত দূষণের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রতি মুহূর্তে অ্যাজমা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে । অ্যাজমার সমস্যা যাদের রয়েছে , তারা অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিজেদের সঙ্গে সব সময়ে ইনহেলার রাখেন। তবে এই সমস্যা কমাতে ভরসা রাখতে পারেন কিছু ফলের উপরও। ১. বেদানা: ফাইবার, ভিটামিন সি, কে এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ বেদানা হাঁপানি, শ্বাসকষ্টের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় যারা ভুগে থাকেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তারা রাখতে পারেন বেদানা। ২. ক্যাপসিকাম: ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ ক্যাপসিকাম অ্যাজমার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। ৩. আপেল: শরীরের যত্ন নিতে আপেল খুব উপকারী একটি ফল। ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ আপেল ওজন হ্রাস করতে এবং পেটের সমস্যা:
আরও পড়ুন
লেবু পানি খাওয়ার উপকারিতা

লেবু পানি খাওয়ার উপকারিতা

সাইট্রাস জাতীয় ফল লেবু। লেবুর রসে রয়েছে নানা উপকারিতা । আজকে আমরা জানবো বিষয়গুলো: ১। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ কেউ কেউ কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে করার জন্য প্রতিদিন সকালে লেবু পানি পান করেন। ঘুম থেকে উঠলে উষ্ণ লেবু পানি পান করা পাচনতন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করতে পারে। প্রাচীণ আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র বলে- লেবুর টক স্বাদ শরীরের ‘অগ্নি’কে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে, যা খাবার আরও সহজে হজম করতে সহায়তা করে এবং ‘টক্সিন’ জমা হওয়া রোধ করতে সাহায্য করে। ২। হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো ভিটামিন সি সংবহনতন্ত্রের রোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি এবং রক্তচাপ কমাতে পারে। লেবু ভিটামিন সি এর একটি ভাল উৎস। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি লেবুর রসে:
আরও পড়ুন
যেসব লক্ষণে বুঝবেন থাইরয়েড হয়েছে

যেসব লক্ষণে বুঝবেন থাইরয়েড হয়েছে

বর্তমানে মানবশরীরে একাধিক জটিল রোগের বাসা বাঁধার প্রবণতা বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরুষদের তুলনায় নারীদের থাইরয়েডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। শরীরে কয়েকটি বিশেষ লক্ষণ দেখা দিলেই, থাইরয়েড পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। চলুন আজকে জেনে নিব লক্ষণগুলো ১. ঠান্ডা-গরমের কারণে নয়, সারা বছর ধরেই সর্দিকাশির সমস্যা দেখা যায় অনেকের। ঠান্ডা লাগার এমন প্রবণতা দেখা দিলেও সতর্ক হওয়া উচিত। ২. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরেও অল্প পরিশ্রমের পরেই অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়েন অনেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্তি থাইরয়েডের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। এমনটা একটানা দেখা দিলে থাইরয়েড পরীক্ষা করানো উচিত। ৩. হজমশক্তি কমে যাওয়ার কারণে দ্রুত ওজন বাড়ছে। এটিও থাইরয়েডের লক্ষণ। থাইরয়েডের সমস্যা হলে বিপাক:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.