কমছে শীতলক্ষ্যা নদীর কচুরিপানা

শেয়ার

গাজীপুর প্রতিনিধি:
চীনের দুঃখ হুয়াংহু নদী তেমনিভাবে শীতলক্ষ্যা নদীর দুঃখ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভাসমান কচুরিপানা। তবে খুশির খবর হলো সেই কচুরিপানা কমতে শুরু করেছে।

গোসিংগা খেয়া ঘাটের ইজারাদার মুসা মোড়ল জানান – ১৫ দিন আগে হঠাৎ করে নদী কচুরিপানায় ভরে যায় এতে নদীর সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। কচুরিপানার কারনে নদী পথে নৌযান চলাচল, খেয়া পাড়াপাড় ও নদী থেকে মৎস্য আরোহন ব্যাপকভাবে বাধা গ্রস্থ হয়। এখন জোয়ার ভাটার কারণে নদী থেকে কচুরিপানা কমতে শুরু করেছে।নদীতে জোয়ারের চেয়ে ভাটার প্রভাব বেশি হওয়ায় কচুরিপানা ভাটির দিকে নামতে শুরু করেছে।

জানা যায়, ভাসমান এসব কচুরিপানার উৎস হচ্ছে এক শ্রেণীর প্রতাপশালী ব্যক্তিদের অবৈধ মাছের ঘের।আর ওইসব ঘেরের কচুরিপানা বাতাসে এসে জমা হয় নদীতে । প্রতি বছরই এই সময়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান কচুরিপানায় ভরে যায় যার ফলে প্রতিবছরই এমন দুর্ভোগে পড়তে হয় নৌপথে যাতায়াত কারিদের।

কুচুরিপানা বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মঞ্জুর রহমান বলেন -কচুরিপানা বাংলাদেশের নদী গুলোর জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কচুরিপানার কারণে নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মৎস সম্পদ আরোহনে বাঁধাগস্ত হচ্ছে। নদীতে কচুরিপানা থাকলে অনেক সময় প্রভাবশালীদের নদী দখলের প্রবণতা বেড়ে যায়।
তিনি আরো বলেন আমরা উন্নত দেশের প্রযুক্তি এনে কচুরিপানা নিধনে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। অচিরেই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.