স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

২০ মিনিটের ঘুমে এত উপকার!

২০ মিনিটের ঘুমে এত উপকার!

অনেক সময় কাজ করতে করতে খুব ক্লান্ত হয়ে গেলে চোখ খুলে রাখতেই কষ্ট হয়। কেউ তো বাসে উঠেই ঘুম দিচ্ছেন আবার কারো পড়তে বসে ঝিমুনি আসে বারবার। এমন অবস্থায় জোর করে জেগে থাকলে শরীর ও মনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। আর এতে করে নিজের ক্ষতিই হচ্ছে বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানান, বেশি ক্লান্তি নিয়ে কাজ করলে তা ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এরচেয়ে ঘুমিয়ে নিন কিছুক্ষণ৷ দিনের বেলায় নিন মাত্র ২০ মিনিটের ন্যাপ, এতে রয়েছে অনেক উপকার। জেনে নিন •    হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে •   মনোযোগ বাড়ে •    কাজ অনেক বেশি ভালোভাবে করতে সাহায্য করে •    মানসিক চাপ কমে •:
আরও পড়ুন
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্রণের দাগ দূর করুন

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্রণের দাগ দূর করুন

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকে বসে যাওয়া ব্রণের দাগ দূর করতে যা যা করতে- প্রথমেই ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে আর ব্রণ থেকে আপনার নখকে দূরে রাখুন, কখনোই নখ লাগাবেন না। মধুর ও দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধু দাগের ওপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কমলার খোসা গুঁড়া ও কাঁচা দুধের প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দিনে দুইবার অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। একটি পাকা টমেটো ও শশার রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই:
আরও পড়ুন
যে ছয়টি কারণে বেশিরভাগ পুরুষ ‘সিঙ্গেল’ থাকতে চান

যে ছয়টি কারণে বেশিরভাগ পুরুষ ‘সিঙ্গেল’ থাকতে চান

অনেক পুরুষেই সহজে কোনো ধরনের সম্পর্কে যান না। মনের মতো সঙ্গী খুঁজতে গিয়ে তরুণ বয়স পার করে দেন তারা। আবার বিয়ে করেও নিঃসঙ্গতায় ভোগেন অনেক পুরুষ। বিবাহিতদের অনেকেই মনে করেন, ‘একাই তো ভালো ছিলাম’। পুরুষদের মধ্যে এই একাকিত্ব বা নিঃসঙ্গতা নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ পায় ইভলিউশনারি সাইকোলজিকাল সায়েন্স নামে একটি মার্কিন পত্রিকায়। এ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মার্কিন মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক লিসা ফায়ারস্টোন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০ হাজারেরও বেশি ‘সিঙ্গেল’ পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালান তারা। তাদের সংগৃহীত মতামতগুলো ৪৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই মতামতগুলো বিশ্লেষণ করে পুরুষদের ‘সিঙ্গেল’ থাকার প্রধান ছয়টি কারণ জানতে পারেন মনোবিজ্ঞানীরা। সেগুলো হলো: ১. সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে:
আরও পড়ুন
অতিরিক্ত মাংস খেলে হতে পারে যে মারাত্মক রোগ

অতিরিক্ত মাংস খেলে হতে পারে যে মারাত্মক রোগ

কোরবানি ঈদ মানেই ঘরে ঘরে মাংসের নানা রেসিপি। কিন্তু সুস্থ থাকতে পরিমিত মাংস খেতে হবে। অতিরিক্ত গরু বা খাসির মাংস খেলে ক্ষতিকর রোগবালাই এসে ভর করে শরীরের ওপর। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে মারাত্মক রোগগুলো কেমন। কোষ্ঠকাঠিন্য ও কোলন ক্যান্সার অতিরিক্ত গরু বা খাসির মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেই পরবর্তীতে আরও রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। সপ্তাহে যারা তিন বেলাতেই গরু, খাসি বা ভেড়ার মাংস খেয়ে থাকেন তাদের কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলতনায় শতকরা ১২ ভাগ বেশি। লাল মাংস দিনের পর দিন খেলে ফুসফুস ক্যান্সার, খাদ্যনালীর ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, মলাশয় ক্যান্সার ও অগ্নাশয় ক্যান্সার:
আরও পড়ুন
দাঁতে মাংস আটকালে কী করবেন?

দাঁতে মাংস আটকালে কী করবেন?

দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রায় সবার ঘরেই রান্না হবে কোরবানির পশু। ঈদে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় গরু ও খাসির মাংস। এসময় সবচেয়ে বেশি যে স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দাঁতের সমস্যা। মাংস খাওয়ার পর তা দাঁতে আটকালে কারই বা ভালো লাগে। বাড়তি খোঁচাখুঁচি করতে গিয়ে ক্ষতি হয় দাঁতের। অনেকসময় দেখা দেয় ইনফেকশন, মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্ত পড়ার মতো সমস্যা। ঈদের সময় দাঁতের যত্নে সচেতন হওয়া জরুরি। টুথপিক বা কাঠি ব্যবহার করবেন না মাংস খাওয়ার পর অনেকেরই দাঁতের ফাঁকে মাংস ঢুকে যায়। এজন্য টুথপিক বা কাঠি ব্যবহার করেন। এ কাজটি কখনোই করবেন না। দন্ত বিশেষজ্ঞদের মতে:
আরও পড়ুন
ঘুম থেকে ওঠার  পরেও ঘুম আসে? কী খাবেন

ঘুম থেকে ওঠার পরেও ঘুম আসে? কী খাবেন

রাতে ঠিকঠাক ঘুম হয়েছে। একবারও ঘুম ভাঙেনি। তবু সকালে উঠে কাটছে না ক্লান্তি। ঘুম থেকে ওঠার পরও ফের ঘুমে জড়িয়ে আসছে চোখ।– এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন অনেকেই। সবসময় ঘুম পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে অতিরিক্ত ক্লান্তি। কাজের চাপ, ব্যস্ততা, সময়ে খাবার না খাওয়া, শরীরচর্চার অভাব— এসব কারণেই মূলত দুর্বলতা তৈরি হয়। কাজের চাপে নিজের দিকে নজর দেওয়ার সময় পান না অনেকে। দীর্ঘ সময়ের অনিয়মে দুর্বল লাগা অস্বাভাবিক নয়। ঘুমভাব দূর করতে ভরসা রাখতে পারেন কয়েকটি খাবারে। কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার রয়েছে যা খেলে শরীর চনমনে থাকে। জেনে নিন বিস্তারিত- ড্রাই ফ্রুটস নানা উপকারিতায় ভরপুর ড্রাই ফ্রুটস। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এর:
আরও পড়ুন
বর্ষাকালে যেসব খাবারে রোগের ঝুঁকি

বর্ষাকালে যেসব খাবারে রোগের ঝুঁকি

বর্ষাকালে কখনো রোদ, কখনো অঝরে বৃষ্টি নামে। ফলে প্রকৃতিতে স্যাঁতসেঁতে ভাব থাকে। এই সময় নানান ধরনের রোগ-জীবাণু বাতাসে উড়ে বেড়ায়। তাই বর্ষাকালে সংক্রমণজনিত রোগের ঝুঁকি এড়াতে কিছু কিছু খাবার না খাওয়াই ভালো। জানুন বর্ষাকালে কোন কোন খাবারে লাগাম টানবেন? মিষ্টিজাতীয় খাবার বর্ষাকাল বলে নয়, বেশি চিনি খাওয়ার অভ্যাস কখনওই ভালো নয়। তবে বর্ষায় চায়ে চিনি খাওয়ার পরিমাণ তুলনায় কমাতে পারলে ভালোই। সেই সঙ্গে মিষ্টি জাতীয় খাবারও কম খাওয়া ভালো। চকলেট, লজেন্স, কেক, মিষ্টি খেতে পছন্দ করলেও এ সময়ে যত এড়িয়ে চলবেন, ততই সুস্থ থাকবেন। অ্যালকোহল পান মদ্যপান শরীরের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নয়। বর্ষাকালে তো নয়ই! বর্ষায় মদ্যপানে রাশ টানা জরুরি। অ্যালকোহল:
আরও পড়ুন
গ্রীষ্মকালীন ফল খাওয়ায় সাবধানতা

গ্রীষ্মকালীন ফল খাওয়ায় সাবধানতা

মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে ঋতুতে যে ফল পাওয়া যায়, সে অনুযায়ী ঋতু ভেধে সে ফলগুলো কিন্তু আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। * আম গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল আম। পুষ্টিতে, স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় বলে আমকে ফলের রাজা বলা হয়। ফল হিসাবে খাওয়ার পাশাপাশি আম থেকে চাটনি, আচার, আমসত্ত্ব, মোরব্বা, জ্যাম, জেলি ও জুস তৈরি হয়। কাঁচা আম গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে প্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি। এগুলোতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যার সঙ্গে অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। কাঁচা আম বা সবুজ আম হল অপরিপক্ব আম,যা দৃঢ় এবং টক:
আরও পড়ুন
জাম খাওয়ার ৭ উপকারিতা জেনে নিন

জাম খাওয়ার ৭ উপকারিতা জেনে নিন

গ্রীষ্মের সুস্বাদু ফলগুলোর মধ্যে জাম অন্যতম। আমের নাম নিলে তার সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে জামের নামটিও। এই জাম কিন্তু অনেক ধরনের পুষ্টিগুণে ভরা। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলের উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগেরই জানা নেই। জাম খেলে শরীরে অনেক ধরনের উপকার মেলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক জাম খাওয়ার ৭ উপকারিতা সম্পর্কে- হজমে সাহায্য করে জাম খেলে তা হজমের সমস্যা মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। উচ্চ ফাইবার এবং পানি থাকার ফলে জাম হজমের উন্নতি এবং অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি পেট ফাঁপা হওয়ার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবে এই ফল অম্লীয় প্রকৃতির হওয়ার কারণে কারও কারও ক্ষেত্রে পেটের সমস্যার কারণ:
আরও পড়ুন
রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে ৫০ ধরনের ক্যান্সার

রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে ৫০ ধরনের ক্যান্সার

একবার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্ত করা যাবে অন্তত ৫০ ধরনের ক্যান্সার। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) তত্ত্বাবধানে ক্যান্সার শনাক্তকরণ সংশ্লিষ্ট এক গবেষণার ফলাফলে এমন ইঙ্গিত মিলেছে। গবেষকরা জানান, পরীক্ষাটি ব্যবহারে এখন পর্যন্ত যথেষ্ট ইতিবাচক এবং উৎসাহব্যঞ্জক ফলাফল দেখা গেছে। ক্যান্সারের উপসর্গ আছে এমন প্রায় ৫ হাজার মানুষের তথ্য এ গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের প্রতি ৩ জনের মধ্যে ২ জনের দেহে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। এ শনাক্তদের মধ্যে ৮৫ শতাংশের শরীরে ক্যান্সারের অবস্থানও সঠিকভাবে জানা গেছে। ‘গ্যালেরি’ নামের ক্যান্সার শনাক্তের এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক বায়োটেক কোম্পানি ‘গ্রেইল’। এ পদ্ধতিতে ক্যান্সার কোষ থেকে বের হওয়া বিভিন্ন জেনেটিক কোডের বিটগুলো খুঁজে:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.