স্বাস্থ্য/চিকিৎসা

যে ১০ কারণে প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খাবেন

যে ১০ কারণে প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খাবেন

কাঁচা মরিচ খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী। নিচে এর কিছু প্রধান উপকারিতা দেওয়া হলো... ১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কাঁচা মরিচে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখে। ২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস এতে থাকা ক্যাপসাইসিন নামক যৌগ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে। ৩. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে কাঁচা মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন পাকস্থলীর রস নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।   ৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ:
আরও পড়ুন
কোন দেশ কোন খাবার দিয়ে নতুন বছর শুরু করে

কোন দেশ কোন খাবার দিয়ে নতুন বছর শুরু করে

নতুন বছর শুরু করার সময় প্রত্যেক দেশেই কিছু বিশেষ রীতি ও ঐতিহ্য অনুসরণ করা হয়। এর মধ্যে খাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন সংস্কৃতি নতুন বছরের প্রথম দিনে নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ করে, যা তাদের জন্য সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি এবং সুখের প্রতীক। আসুন দেখে নিই কোন দেশ কোন খাবার দিয়ে নতুন বছর শুরু করে। ১. স্পেন: আঙুর স্পেনে নতুন বছরের শুরুতে ১২টি আঙ্গুর খাওয়ার রীতি রয়েছে। প্রতিটি আঙ্গুর ১২ মাসের প্রতিনিধিত্ব করে। এটি বিশ্বাস করা হয় যে, এই আঙ্গুরগুলো খেলে বছরজুড়ে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকবে। ২. জাপান: সোবা নুডলস জাপানের মানুষ নতুন বছরে "তোশিকোশি সোবা" নামে এক ধরনের নুডলস:
আরও পড়ুন
শীতে ঠোঁট ফাটা রোধ করতে

শীতে ঠোঁট ফাটা রোধ করতে

শীত মানেই শুষ্কতা। আর এই শুষ্কতা প্রকৃতি থেকে ছড়িয়ে যায় ত্বকেও। তাই এ সময় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই ঠোঁট ফাটতে দেখা যায়। ঠোঁট ফাটলে যেমন খারাপ লাগে, তেমনি যন্ত্রণাও কম নয়। শীত মৌসুমে ঠোঁটকে যত্নে রাখতে হয়। শীতে সহজেই ঠোঁট ফাটা রোধ করতে পারেন এমন কিছু টিপস দেওয়া হলো- • এই সময় ঠোঁট সব সময় ভেজা রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পরপর লিপবাম বা ভ্যাসলিন-জাতীয় ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে রাখতে হবে। এ ছাড়া ঠোঁটে হাইড্রেটিং রাখতে মোম, শিয়া মাখনের মতো উপাদান আছে এমন লিপবাম ব্যবহার করতে হবে। • অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ঠোঁটকে রক্ষা করতে বাইরে বেরোনোর আগে মুখের পাশাপাশি ঠোঁটেও সানস্ক্রিন লাগান। লাগানোর সময়:
আরও পড়ুন
যে ১২ কারণে শরীরে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে

যে ১২ কারণে শরীরে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে

শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি সাধারণ কারণ হলো- ১. খাদ্যাভ্যাস স্যাচুরেটেড ফ্যাট: উচ্চ পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার, যেমন- রেড মিট, বাটার, চিজ, ঘি খেলে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। লাল মাংস ২. ট্রান্স ফ্যাট প্রসেসড খাবার, যেমন- প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, ফাস্ট ফুড নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে। ফাস্টফুড ৩. অতিরিক্ত শর্করা চিনি ও শর্করা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া হলে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। মিষ্টি জাতীয় খাবার ৪. অতিরিক্ত ওজন  শরীরের ওজন নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি হলে কোলেস্টেরল মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ওজন ৫. শারীরিক অনুশীলনের অভাব নিয়মিত শরীরচর্চা না করলে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কমে যেতে পারে এবং:
আরও পড়ুন
আক্রান্ত হওয়ার আগেই ডায়াবেটিস প্রতিহত করতে যা করবেন

আক্রান্ত হওয়ার আগেই ডায়াবেটিস প্রতিহত করতে যা করবেন

বর্তমান বিশ্বের সাধারণ কিছু কঠিন অসুস্থতাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ডায়াবেটিস। বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলাইটাস একটি দীর্ঘকালীন রোগ। রক্তে স্বাভাবিকের চেয়ে চিনি বা গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে ইনসুলিনের উৎপাদন বা কার্যকারিতা কমে গেলে এই রোগ হয়। ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে একজন ডায়াবেটিসে ভুগছেন। বর্তমানে পুরো বিশ্বে ৫৩ কোটির বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। অর্থাৎ বছরে ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ ডায়াবেটিস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, অন্ধত্ব, কিডনি ফেইলিউর, পা কেটে ফেলার মতো ইত্যাদি আরও অনেক সমস্যার কারণ হতে পারে ডায়াবেটিস। আজ ১৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস দিবস। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের:
আরও পড়ুন
যেসব দৈনন্দিন অভ্যাস অগোচরে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে

যেসব দৈনন্দিন অভ্যাস অগোচরে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে

মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে মস্তিষ্ক। শরীরের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। এছাড়াও, চিন্তা-ভাবনা, আবেগ তৈরি ও নিয়ন্ত্রণসহ শরীরের সবকাজই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হয়। আমাদের দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করতে পারে। হয়তো আমার এসব অভ্যাসকে অতোটা গুরুত্বও দেই না। বা ভাবি এসব অভ্যাস তেমন প্রভাব ফেলতে পারবে না। তবে আমাদের নিজেদের মস্তিষ্কের রক্ষা করার জন্য নিজেরই পদক্ষেপ নিতে হবে। সেজন্য এই অভ্যাসগুলো জানা এবং দ্রুত ত্যাগ করা উচিত। ১. সকলের খাবার: সকালের খাবার সারাদিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদনসম্পন্ন খাবার সকালে খেলে ব্রেনের কার্যকারিতা সঠিক থাকে। পুষ্টি এবং গ্লুকোজের:
আরও পড়ুন
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ৬ কৌশল

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ৬ কৌশল

আমাদের অনেকেই এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যখন কোনো মানুষের নাম বা জায়গার নাম মনে করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেকেই বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি এবং যুক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা কমে আসে। তবে আশার কথা হলো, আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কিছু সহজ অভ্যাস ও মানসিক চর্চার মাধ্যমে আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে আরো শক্তিশালী করতে পারি। ১।স্বাস্থ্যকর খাবার খান আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অনেকাংশেই নির্ভর করে খাবারের ওপর। আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলো চর্বি দিয়ে তৈরি, তাই স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ জরুরি। বাদাম, বীজ, অ্যাভোকাডো, মাছ এবং হলুদের মতো খাবার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। খাবার খাওয়ার সময় সামাজিকীকরণের মাধ্যমে মস্তিষ্ক আরো উপকৃত হয়। ২।নিয়মিত ব্যায়াম:
আরও পড়ুন
শীতকালেও ঠোঁট থাকবে গোলাপের মতো সুন্দর

শীতকালেও ঠোঁট থাকবে গোলাপের মতো সুন্দর

শীত ভালো করে না পড়লেও, ঠোঁট ফাটা কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে ইতোমধ্যেই। শীতের ঋতুতে পা ফাটার সঙ্গে নিয়মিত ঠোঁট ফাটার সমস্যাতেও ভোগেন অনেকেই। তবে গোলাপি সুন্দর ঠোঁট সবারই কাম্য। গোলাপি একজোড়া ঠোঁটে হাসি ভালো লাগতে বাধ্য। যতই লিপস্টিক ব্যবহার করি না কেন, গোলাপি ঠোঁট পাওয়ার ইচ্ছা সবার মনেই থাকে। কিন্তু অযত্ন এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন, বিশেষ করে শীতকালে ঠোঁট কালচে হয়ে যায়। যা দেখতে খুব একটা ভালো লাগে না। তাই আজ জানাবো কিছু ঘরোয়া টোটকা যার মাধ্যমে কিন্তু সহজেই ঠোঁট ফাটা দূর হয়ে আপনি পাবেন গোলাপের মতো সুন্দর ঠোঁট। ঠোঁট ফাটার হাত থেকে বাঁচতে হলে ঠোঁটের আদ্রতা বজার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।:
আরও পড়ুন
এই মৌসুমে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

এই মৌসুমে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

শীত দুয়ারে হাজির। মৌসুম বদলের এই সময়টায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সর্দি-কাশি, গলা খুসখুস এ সময়ের পরিচিত ঘটনা। এসব সমস্যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুতর কিছু নয়। ওষুধপথ্য ছাড়াই আপনাআপনি সেরেও যায়। তবে ভোগান্তি হতে পারে অনেকটাই। ঘরোয়া টোটকা দিয়ে কমানো যেতে পারে এসব ভোগান্তি। এ অবস্থায় আরাম পেতে কিছু নির্দেশনা মানতে পারেন। পানি শীত না পড়তেই আবহাওয়া কিন্তু বেশ শুষ্ক হয়ে পড়েছে। এই সময় সবারই ঠিকঠাক পানি খাওয়া চাই। জ্বর হলে শরীর সহজেই পানিশূন্য হয়ে পড়ে। ঠান্ডায় নাক বন্ধ হয়ে গেলে অনেক ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ে থাকি আমরা। সেই সময় মুখের ভেতরটাও শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে।:
আরও পড়ুন
এক বছর পর্যন্ত নবজাতকের স্বাদে যেসব পরিবর্তন আসে

এক বছর পর্যন্ত নবজাতকের স্বাদে যেসব পরিবর্তন আসে

নবজাতক শিশুর যত্ন অনেক বেশি জরুরি। শিশুর প্রতিপালন যেভাবে হয়, তার উপর তার সমগ্র জীবন নির্ভর করে। ছোট থেকে বড়, সব জিনিস এর সঙ্গে সম্পর্কিত। শিশুর জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স অবধি নানারকম বৃদ্ধি ঘটতে থাকে। এই বাড়ন্ত বয়সে শিশুর শরীরে নানাবিধ পুষ্টি দরকার, যা আসবে বিভিন্ন ধরনের গৃহীত খাদ্য থেকে। গর্ভাবস্থাতেই শিশুদের মধ্যে স্বাদজ্ঞান চলে আসে। গর্ভধারণের ৯ সপ্তাহ পর থেকেই অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের কারণে মায়ের খাওয়া খাবারের স্বাদ শিশুরা পায়। মুখ এবং জিহ্বা তৈরি হতে সেই ক্ষমতা আরও তীব্র হতে থাকে। তাই জন্মের সময় প্রখর স্বাদ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে নবজাতক। সেজন্য প্রথমেই জন্মের পর মিষ্টি স্বাদের অনুভূতি এবং পুষ্টির:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.