দানব রানির রাজ্য
এক দেশে ছিল দানব রানি,
রক্তখেলায় যার ছিল টানি।
হাসি মুখে করতো হত্যা,
ভয় ছড়াত রাজ্যে নিত্য।
তার রাজপ্রাসাদ সোনার খাঁচা,
ভিতরে লুকায় মৃত্যুর নাচা।
মানুষ মরে পাখির মতো,
লাশে ভরে পথের যত।
বন্দিশালা অন্ধকারে,
চিৎকার মিশে রাতের তারে।
খুপড়ি ঘরে চোখের জ্বালা,
মানব জীবনে দুঃখের মালা।
ডাইনিবুড়ি যেমন খুশি,
রক্ত পানেই হাসি ফুঁসি।
তেমনি রানি আনন্দ পায়,
মানুষ মেরে উৎসবায়।
মন্ত্রী-সেনা তারই সুরে,
জুলুম চলে ঘরে ঘুরে।
আইন মানে না কেউ তাতে,
আতঙ্ক বয়ে যায় বাতাসে রাতে।
কিন্তু একদিন তরুণ দল,
উঠে বলে—“অন্যায় চল?”
বজ্রকণ্ঠে গর্জন তোলে,
ভয় মিশে যায় রানির হলে।
ছাত্রেরা ফুঁসে আগুন জ্বালে,
নব আলোয় দেশটা ঢালে।
জনতার ঢেউ, বজ্রের গর্জন,
ভেঙে দেয় রক্তের শাসন।
দানব রানি পালায় শেষে,
ভয় ছুটে যায় দেশের দেশে।
আকাশ ভরে স্বাধীন গানে,
ভোরের আলো হাসে প্রাণে।
নতুন দিনের সূর্য ওঠে,
মানব জাগে নতুন পথে।
অন্যায়ের রাত ঘুচে যায়,
মানুষ জয়—মানবতায়।
লেখক:
সোমাইয়া আহমেদ
শিক্ষার্থী: ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ
