রামগঞ্জে যৌতুকের টাকা না পেয়ে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা

শেয়ার

আবু তাহের. রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

পিতার বাড়ী থেকে যৌতুকের টাকা এনে না দেওয়ায় মর্জিনা বেগম নামের এক গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের মধ্য ভাদুর গ্রামের লদের বাড়িতে। বর্তমানে গৃহবধু মর্র্জিনাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলার পানিয়ালা খন্দকার বাড়ির পিত্রালয়ে চিকিসাধীন রাখা হলেও প্রতিদিন গভীর রাতে স্বামী আবু ইউসুফ স্ব-দলবলে স্ত্রী মর্জিনার উপর হামলার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সৃষ্ট ঘটনায় মর্জিনা বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

শনিবার (৭ডিসেম্বর) সকালে সরজমিনে পানিয়ালা খন্দকার বাড়িতে গেলে দেখা যায় মর্জিনার পিত্রালয়ের পরিবার পরিজন এমনকি বাড়ির লোকজনও রয়েছেন আতংকে।

এসময় মর্জিনার বাবা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ২০১৩ইং সনে তার মেয়ে মর্জিনার সাথে উপজেলার মধ্য ভাদুর গ্রামের লদের বাড়ির নুরুজ্জামানের ছেলে আবু ইউসুফের বিয়ে হয়। এর ক’দিন পর থেকে আবু ইউসুফ টাকার জন্য তার মেয়ের উপর শাররীক অত্যাচার চালানো শুরু করে। এতে তিনি মেয়ের জীবন বাঁচানোর স্বার্থে একে একে ইউসুফকে ৭লাখ টাকা দিয়েছিলেন। তারপরও নির্যাতনের মাত্রা কমেনি। এরই সূত্র ধরে পুনরায় তার মেয়ের কাছে টাকা দাবি করে। এতে সম্মত না হওয়ায় গত মঙ্গবার দিবাগত গভীর রাতে ঘুমন্ত মেয়ে মর্জিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এসময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ও হাতে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে মর্জিনা ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসা ভবনে আশ্রয় নেয়।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেও স্বামী আবু ইউসুফ হামলার চেষ্টা চালালে মর্জিনাকে পৈত্রিক বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ওই বাড়িতেও আবু ইউসুফ গভীর রাতে অস্ত্রসস্ত্রে এসে মর্জিনাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.