আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হাজারো খনাখন্দ আর চোরাই গর্তে সয়লাব হয়ে গেছে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার প্রধান সড়ক। ক্ষত-বিক্ষত অব¯’ায় দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে নিজের অস্তিত্ব জানান দিয়ে আসলেও সড়কটি মেরামতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ লক্ষ্মীপুর কর্তৃক নেওয়া হ”েছনা কোন পদক্ষেপ। এতেকরে দূরপাল্লার পরিবহনসহ ¯’ানীয় যানবাহন চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হ”েছ। প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে দুর্বিষহ জীবন পার করছে রামগঞ্জের জনসাধারণ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-প্রকৌশলী রামগঞ্জ দপ্তর সূত্রে জানাযায়, লক্ষ্মীপুর-হাজীগঞ্জ সড়কের রামগঞ্জ অংশ তিন ভাগে বিভক্ত। যার দক্ষিণাংশ মীরগঞ্জ থেকে রামগঞ্জের জোড়কবর পর্যন্ত ৮কিঃ মিঃ। দ্বিতীয় উত্তরাংশ ফকির বাজার থেকে রামগঞ্জের সেনাপুর পর্যন্ত ৮কিঃ মিঃ এবং তৃতীয়াংশ রামগঞ্জ বাইপাস সড়ক ১কিঃ মিঃ। সবমিলিয়ে রামগঞ্জ দিয়ে বয়ে গেছে সড়কটির ১৭কিঃ মিঃ অংশ। ঢাকা-রামগঞ্জ, ঢাকা-লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রামগঞ্জ-চাঁদপুরগামী ভারি যানবাহনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাণিজ্যিক লরি চলাচল করায় এ সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম। এমন গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পরও খনাখন্দে ভরপুর সড়কটি মেরামত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রামগঞ্জের ব্যবসায়ীমহল।
¯’ানীয়রা জানান, রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এ সড়কটি। শহরাঞ্চলে সড়কটির পাশ ঘেঁষে রয়েছে ২০টি বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার। রয়েছে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, রামগঞ্জ মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উ”চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ উ”চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কিš‘ সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হ”েছ শিক্ষার্থীদেরও। মুমুর্ষ রোগীদের নিয়ে প্রত্যহ বিপাকে পড়েন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এরমধ্যে ছোট-বড় দূর্ঘটনাতো লেগেই আছে। সর্বপরি এমন নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির লক্ষে সড়কটি মেরামতের আবেদন রামগঞ্জবাসীর।
এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রামগঞ্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আমির হোসেন জানান, সড়কটির দক্ষিণাংশে ওয়ার্কওয়াডার হয়েছে। উত্তরাংশের টোন্ডার হয়েছে। বৃষ্টির কারণে গর্ত মেরামত করা যাচ্ছেনা”।
যাত্রীসাধারণের সীমাহীন দুর্ভোগ, খনাখন্দ আর চোরাই গর্তে সয়লাব রামগঞ্জের প্রধান সড়ক
