জাতীয় ধারাভাষ্যের মঞ্চে রাজীবপুরের পলাশ

জাতীয় ধারাভাষ্যের মঞ্চে রাজীবপুরের পলাশ

সাব্বির মামুন,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ভাবুন আপনি খেলা দেখছেন কিন্তু কোনো ধারাভাষ্য নেই তাহলে কেমন হবে? নিশ্চয়ই আপনার বুঝতে বাকী নেই। অর্থাৎ ধারাভাষ্য একটি শিল্প যা কোনো খেলাকে আরও উপভোগ্য ও প্রানবন্ত করে তোলে। আর এই মহান দায়িত্ব পালন করে ধারাভাষ্যগণ। সম্প্রতি জাতীয় মিডিয়ার হয়ে এই প্রথম দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা সদরের সবুজবাগ গ্রামের শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসাইন পলাশ। বাংলাদেশ বেতারে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া এক প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হন। এসম্পর্কে পলাশের মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন,অষ্টম শ্রেণী থেকেই রাজীবপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ধারাভাষ্য ও অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতাম।সে-সময় বাংলাদেশ বেতার বা বিটিভিতে চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত, খোদাবক্স মৃধাসহ গুনী ধারাভাষ্যকারদের ধারাভাষ্য শুনতাম।:
আরও পড়ুন
দীর্ঘ ২২ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি রাজিবপুর মহিলা কলেজ

দীর্ঘ ২২ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি রাজিবপুর মহিলা কলেজ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আবু সাঈদ ১৯৯৯ সালে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। রাজিবপুর মহিলা কলেজের একাডেমিক ভবন ১৫ অক্টোবর ২০১৫ সালে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । একাডেমিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১ই জানুয়ারি ২০০৪ সালে । রাজিবপুর মহিলা কলেজের ২০১৮ শিক্ষা বর্ষে ১৯৮ জন,২০১৯ শিক্ষা বর্ষে ২১১ জন,২০২০ শিক্ষা বর্ষে ২১০ জন এবং ২০২১ শিক্ষা বর্ষে ২০৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে । রাজিবপুর মহিলা কলেজের শিক্ষক, কর্মচারীসহ ২২ জন কর্মরত আছেন । রাজিবপুর মহিলা কলেজের(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, ১৯৯৯ সালে নিজ অর্থায়নে এই কলেজটি পরিচালনা করে আসছি, কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়ার কারণে এই কলেজের অনেক শিক্ষক:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.