চরভদ্রাসনে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

শেয়ার

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ১১ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. হাসান মোল্লা (৪০) নামে  এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বিএস ডাঙ্গী এলাকায় ব্র্যাক অফিসের সামনে পাকা সড়ক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মো. আলম সেক (৩০) নামে অপর এক ব্যক্তি পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হাসান মোল্লা উপজেলার আব্দুল  সিকদারের ডাঙ্গী এলাকার বারেক মোল্লার ছেলে। পলাতক আলম সেক কে এম ডাঙ্গী এলাকার কাইমুদ্দিন সেকের ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান
চরভদ্রাসন থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য পুলিশের একটি দল দায়িত্ব পালন করছিল। রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটের দিকে বিএস ডাঙ্গী এলাকার স্বাধীনতা চত্বর ব্রিজের  ওপর অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ব্র্যাক অফিসের সামনে পাকা সড়কে কয়েকজন মাদক কারবারি মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।

পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। রাত আনুমানিক ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে সেখানে পৌঁছালে পুলিশের  উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন হাসান মোল্লা ও তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি। এ সময় পুলিশ হাসান মোল্লাকে আটক করতে সক্ষম হলেও আলম সেক কৌশলে পালিয়ে যান।

উদ্ধার ১১ পিস ইয়াবা
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আটক হাসান মোল্লার পরিহিত হাফহাতা গেঞ্জির বুক পকেটে থাকা নীল রঙের একটি জিপারযুক্ত প্যাকেট থেকে হালকা কমলা  রঙের ১১ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ট্যাবলেটের ওজন ১ গ্রাম এবং এর আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৩ হাজার ৩০০ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বৈদ্যুতিক আলো ও টর্চের আলোতে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে  তিনটি মামলা
পুলিশের এজাহারে বলা হয়েছে, আটক হাসান মোল্লা ও পলাতক আলম সেক পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে চরভদ্রাসন থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইয়াবা বিক্রি করে আসছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে,  সিডিএমএস যাচাই করে পলাতক আলম সেকের বিরুদ্ধে ২০১৬, ২০১৮ ও ২০২৩ সালের তিনটি মাদক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব মামলার বিচারিক অগ্রগতি বা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির তথ্য এজাহারে উল্লেখ নেই।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য  নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় অভিযোগ এনে নিয়মিত মামলা রুজুর আবেদন করেছেন চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এনামুল হক খান।

সূত্র: চরভদ্রাসন থানায় দায়ের করা এজাহার।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.