রামগঞ্জে মা-মেয়ে হত্যাকান্ড, তানহার চাচাতো ভাই সোহেল আটক

শেয়ার

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গৃহবধূ জুলেখা বেগম (৫৫) ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়ে তানহা আক্তার মীম (১৯) হত্যাকান্ডের ঘটনায় সোহেল রানা (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাতে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এর আগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত জুলেখার স্বামী মিজানুর রহমান। শনিবার দুপুরে আটককৃত সোহেল রানাকে ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আটকৃত সোহেল রানা রামগঞ্জ উপজেলার উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের খামার বাড়ির মোজাম্মেল হোসেন বাহারের ছেলে। তিনি নিহত তানহা আক্তার মীমের চাচাতো ভাই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমী জানান, “ঘটনাটি অত্যান্ত নৃশংস। আমরা ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্তে অগ্রগতি হলে বিস্তারিত জানানো হবে।”

স্থানীয় সূত্র ও নিহত পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে জুলেখা বেগম ও তার মেয়ে মীমকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রও লুট করে নিয়ে যায় হত্যাকারীরা। হত্যাকান্ডের সময় বাড়িতে মা-মেয়ে দুজনই একা ছিলেন।

রাতে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়ি ফিরে ঘরে ঢুকে মেঝেতে তাদের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পেরন করে। শুক্রবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধায় জানাযা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.