রামগঞ্জে অটোরিক্সার ব্যাটারী ও যন্ত্রাংশসহ ৩ চোরাকারবারী গ্রেপ্তার

শেয়ার

আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভা থেকে চোরাই অটোরিক্সার বিপুল পরিমান ব্যাটারী ও যন্ত্রাংশ সহ মোঃ মাসুম বিল্লাহ, পারভেজ আলম ও ইয়াছিন আরাফাত সহ চোরাকারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।

থানার ওসি এমদাদুল হকের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ আগষ্ট সকালে পৌরসভার রতনপুর ওয়াপদা রোডে চক্ষু মিয়ার মার্কেটের মাসুম বিল্লাহ্র ওয়ার্কসপ হতে এসআই দিবাকর রায় ও এসআই এনায়েত উল্যা অভিযান চালিয়ে চোরাইকৃত মালামাল সহ ওই তিন চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত চোরাইকারবারী মাসুম বিল্লাহ পৌরসভার আঙ্গারপাড়া আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন হাফেজ শরীফের ছেলে, পারভেজ আলম পৌর রতনপুর ওয়ার্ডের হাবিব উল্লা চেয়ারম্যান বাড়ির মোঃ মানিক হোসেনের ছেলে ও ইয়াছিন আরাফাত রামগতি উপজেলার বয়ার চর গ্রামের বোবা শরীফের বাড়ির মোঃ শরীফের ছেলে। আটককৃত চোরাইকারবারীর বিরুদ্ধে রামগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে পৌরসভাসহ উপজেলা বিভিন্ন স্থানে অটোরিক্সা গাড়ির ব্যাটারী, যন্ত্রাংশ চোরাকারবারী দলের সদস্যরা কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে চোরাই মালামালগুলো রামগঞ্জ পৌরসভার রতনপুর ওয়াপদা রোডে চক্ষু মিয়ার মার্কেটের মাসুম বিল্লাহ্র ওয়ার্কসপে এনে মোঃ মাসুম বিল্লাহ, পারভেজ আলম ও ইয়াছিন আরাফাত গুদামজাত করে রাখতো। পরে রামগঞ্জ থানা পুলিশ চোর সিন্ডিকেটের প্রধানদের গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে চোরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

আবুল কাশেম নামের ছাপাইনবাবগঞ্জের এক ভাসমান অটোরিক্সা চালক জানান, বালুয়া চৌমুহনী বাজারে দিন দুপুরে রাস্তার পাশে অটোরিক্সা রেখে দোকানে চা খাওয়ার জন্য গেলে কিছুক্ষণ পর এসে দেখি আমার গাড়ীর সবগুলো ব্যাটারী নিমিষেই উধাও হয়ে গেছে। পরে অনেক স্থানে খোজাখুজি করে আর পাওয়া যায়নি।

রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ এমদাদুল হক জানান, চোরাই দলের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বাকী সদস্যদেরকেও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.