সাহিত্য

কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের জন্মদিন আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে উজ্জ্বলতম নামগুলোর মধ্যে অন্যতম জহির রায়হান। আজ এই কিংবদন্তি নির্মাতার জন্মদিন। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীর মধুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। লেখক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার— প্রতিটি পরিচয়েই তিনি ছিলেন অনন্য। জহির রায়হান ১৯৫০-এর দশকে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন। তার লেখা ছোটগল্প সুরঙ্গ এবং উপন্যাস হাজার বছর ধরে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করলে তিনি দ্রুতই হয়ে ওঠেন একজন ব্যতিক্রমী নির্মাতা। ১৯৬০ সালে তিনি প্রথম চলচ্চিত্র কখনো আসেনি পরিচালনা করেন। এরপর কাচের দেয়াল, জীবন থেকে নেয়া, বেহুলা, সংসার, আনোয়ারাসহ একের পর এক জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী সিনেমা নির্মাণ করেন। বিশেষ করে জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি:
আরও পড়ুন
বিদ্রোহের কবির অন্তর্জগতে: এক নজরুলভক্তের মনের কথা

বিদ্রোহের কবির অন্তর্জগতে: এক নজরুলভক্তের মনের কথা

প্রদীপ কুমার রায়: কাজী নজরুল ইসলাম—এই নামটি শুনলেই মনে পড়ে এক অগ্নিঝরা উচ্চারণ, “চির উন্নত মম শির!” বিদ্রোহ, দ্রোহ, মুক্তির চেতনা—এসবই যেন তাঁর চেহারার স্থায়ী ছাপ। কিন্তু আমি, একজন একনিষ্ঠ নজরুলভক্ত, জানি—এই বজ্রকণ্ঠ কবির অন্তরে ছিল শিশুর মতো কোমলতা, হাস্যরস আর অনাবিল জীবনপ্রেম। নজরুল শুধু কবি নন, এক আশ্চর্য জীবনের প্রতীক। তিনি নিয়মে বাঁধা ছিলেন না—জীবনকে ছুটে ছুটে ছুঁয়েছেন। গানের ছন্দে, চায়ের কাপে, আড্ডার গল্পে, বন্ধুদের হাসিতে তিনি ছিলেন উন্মুক্ত। নিজের জীবনের সমস্ত সংকটকেও তিনি শিল্পের ফ্রেমে বুনে নিয়েছেন। এই মানুষটাই কিনা হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ধর্মগ্রন্থ পাঠ করতেন, আবার নাম রেখেছিলেন ছেলেদের—সানি আর নিনি! এমন বিপুল বৈপরীত্যে তিনি ছিলেন এক অখণ্ড:
আরও পড়ুন
মুজিব তোমাকে চাই বাংলা

মুজিব তোমাকে চাই বাংলা

মুজিব তোমাকে চাই বাংলা বৃষ্টি খাতুন নিস্তব্ধ আকাশ, নিস্তব্ধ বাতাস কানে কানে বলে গেলো মুজিব তোমাকে চাই বাংলা, নতুন সমাজ নতুন মানুষ বদলে দিলো বাংলা। ক্রমশ যেনো চেনা প্রকৃতি হয়ে উঠেছে অচেনা; অচেনা হয়েছে মুখ ও মুখোশ, পোশাক ও শরীর। বাংলার মানুষ ভালোবাসতে ভুলেছে, ভুলেছে ন্যায়পরায়ণতা, আরো ভুলেছে মানবতা। মানবতার নামে স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত সকলে, মুজিব তোমাকে চাই বাংলা। সোনার বাংলায় আজ নেই সেই চেনা সুর; চিরচেনা সেই গান; জারি, শারি, ভাটিয়ালী পল্লীগীতি, নেই বাউলের সুরের কন্ঠে সুমিষ্ঠ গান! এই বদলে যাওয়া যে মানা যায় না। মুজিব তোমাকে চাই বাংলা। স্বপ্নের বাংলায় যে আজ বেড়েছে লাশের মিছিল, নতুন করে আবার:
আরও পড়ুন
স্বীকৃতি বড় নয় এবং প্রাপ্তির হিসাব কোনো কবি কখনো করে না: ডা. জসিম তালুকদার

স্বীকৃতি বড় নয় এবং প্রাপ্তির হিসাব কোনো কবি কখনো করে না: ডা. জসিম তালুকদার

দেখুন স্বীকৃতি সবাই চায়। সম্মাননা স্মারক, ক্রেস ও পুরস্কার এক ধরনের আত্মতুষ্টি দেয় কিন্তু এতে লেখকের লেখার মান বৃদ্ধি পায় বলে আমার মনে হয় না। তবে এতে লেখকের পরিচিতি বৃদ্ধি হয়। অনেক প্রতিশ্রুতিশীল কবি সাহিত্যিক আছেন যারা এ পদকে ভূষিত হননি। তাদের মধ্যে, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আবু কায়সার, আবিদ আজাদ, রুদ্র মোহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। বিশ্ব সাহিত্যে জেমস্ জয়েস একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক। তার ইউলিসিস উপন্যাসটি বিশ্বসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। তিনি কিন্তু নোবেল প্রাইজ পাননি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনেক সাহিত্য সংগঠন গড়ে উঠেছে। এ ধরনের সংগঠনগুলো সাহিত্যের প্রসারে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু একজন লেখকের:
আরও পড়ুন
উদীয়মান কবি শাহরিয়ার রহমানের একগুচ্ছ কবিতা

উদীয়মান কবি শাহরিয়ার রহমানের একগুচ্ছ কবিতা

শাহরিয়ার রহমান ১লা জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চর জাঙ্গালিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মোঃ ফজর আলী মাতাব্বর, মাতাঃ তাছলিমা আক্তার। ২০১৯ সালে মাধ্যমিক ২০২১ সালে উচ্চমাধ্যমিক স্তর শেষে এখন শিক্ষাগত পেশায় কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। ভালোবাসেন সাধ্যমত মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তার যৌথ কাব্যগ্রন্থ "বাংলার উদীয়মান কবি, কবি ও কবিতা, সমকালের দুই বাংলার কবিতা ও অনুভূতি। তিনি স্কুল জীবন থেকে লেখালিখি করেন। তিনি পড়তে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন লিখতে ও ভালোবাসেন নতুন কিছু শিখতে। তিনি ছোটবেলা থেকে চিলেন সাহিত্য অনুরাগী। জীবনব্যধি শাহরিয়ার রহমান আমরা প্রত্যেকেই প্রেমে পড়েছিলাম কারণ আমাদের মৃত্যুর প্রয়োজন ছিল, এবং যত:
আরও পড়ুন
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.