নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালীপনা
আবু তাহের, রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ভেঙ্গে গিয়ে দেবে গিয়ে বৃহদাকার খনাখন্দের সৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের প্রধান যাতায়াত মাধ্যম রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সড়কের সাড়ে ৮কিঃমিঃ অংশ অত্র অঞ্চলের ১০লক্ষ মানুষের গলার কাঁটায় পরিনত হয়েছে। স্থানীয় এমপির বারংবার তাগিদের পরও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সহিদ ব্রাদার্স সড়কটির নির্মান কাজে মনোনিবেশ করছেননা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ লক্ষ্মীপুর এর প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর গাছাড়া আচরনের কারনেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি বলে অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের।
সূত্রে জানা যায়, বিগত ১০ বছর পূর্ব থেকেই রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সড়কের উত্তরে ফকির বাজার থেকে দক্ষিনে জোড় কবর পর্যন্ত সাড়ে ৮কিঃমিঃ অংশে খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, কুমিল্লা, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় আসা-যাওয়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াতে ব্যবহৃত হচ্ছে এ সড়কটি। গুরুত্বের দিক বিবেচনায় সড়কটি মেরামতে সড়ক বিভাগ কর্তৃক গেলো কয়েক বছরে ৪বার টেন্ডার দিয়েও কাজ সম্পাদন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিগত ৫ আগষ্টের পর পাকা সড়কটির রামগঞ্জ অংশে ইটের খোয়া, আদলা ও ইট বিছিয়ে প্রায় কোটি টাকা নয়ছয় করে সড়ক বিভাগ। অবশেষে চলতি বছরের জানুয়ারীতে ৫ম টেন্ডারে ১৩ কোটি ৫৪লাখ টাকার কাজ পায় চাঁদপুরের মেসার্স সহিদ ব্রাদার্স। এর পরও কাজের গতি না ফেরায় সড়কটি পরিদর্শন শেষে স্থানীয় এমপি শাহাদাত হোসেন সেলিম সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বারংবার তাগিদ দেওয়ার পরও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী মোঃ সহিদ জানান, ঈদে চাঁদের ছুটির পর লোকজন এখনো কর্মস্থলে এসে না পৌঁছানোর কারনেই নির্মান কাজ আরম্ব করা যাচ্ছেনা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ২/৩ দিন পূর্বে কুমিল্লা ও ঢাকা অঞ্চলের ভিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ সড়কটির নাজেহাল পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। ঠিকাদার কেনো কাজটি করছেনা তা বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি।
