যে ১২ কারণে শরীরে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে

শেয়ার

শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি সাধারণ কারণ হলো-

১. খাদ্যাভ্যাস
স্যাচুরেটেড ফ্যাট: উচ্চ পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার, যেমন- রেড মিট, বাটার, চিজ, ঘি খেলে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।

লাল মাংস

২. ট্রান্স ফ্যাট
প্রসেসড খাবার, যেমন- প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, ফাস্ট ফুড নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।

ফাস্টফুড

৩. অতিরিক্ত শর্করা
চিনি ও শর্করা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া হলে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।

মিষ্টি জাতীয় খাবার

৪. অতিরিক্ত ওজন 
শরীরের ওজন নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি হলে কোলেস্টেরল মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত ওজন

৫. শারীরিক অনুশীলনের অভাব
নিয়মিত শরীরচর্চা না করলে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কমে যেতে পারে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়তে পারে।

শরীরচর্চা জরুরী

৬. জিনগত কারণ
পারিবারিকভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে (Familial Hypercholesterolemia) সহজেই শরীরে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।

ডিএনএ

৭. বয়স এবং লিঙ্গ
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ ছাড়া নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজের পর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বাড়তি বয়স

৮. ধূমপান 
ধূমপান কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং ধমনিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ধূমপান নিষেধ

৯. অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং থাইরয়েডজনিত সমস্যা থাকলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে।

ডায়াবেটিস

১০. স্ট্রেস
দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও কোলেস্টেরল বাড়ানোর জন্য দায়ী হতে পারে।

হতাশা নয়

১১. ওষুধ
কিছু ওষুধ, যেমন কর্টিকোস্টেরয়েড, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং মূত্রবর্ধক, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ওষুধ

১২. মদ্যপান
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মদ শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডস ও কোলেস্টেরল হিসেবে ভেঙে যায়। তা ছাড়া মদ রক্তে লিপিড বৃদ্ধি করে।

মদ্যপান নয়

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, এবং জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.