বিএনপি-জামায়াতের ডাকে সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে। ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়। তবে এখন পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের কোথাও হরতালের সমর্থনে মিছিল-সমাবেশ বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। এক পাশ বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এছাড়া রাজধানীর বিপান্থপথ মোড়, সার্ক ফোয়ারা, ফকিরাপুল, রাজারবাগ, কাকরাইলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
হরতালে সকাল থেকে রাজধানীর সড়ক মহাসড়কগুলো অনেকটা ফাঁকা দেখা গেছে। পান্থপথ, মোহাম্মদপুর, গ্রিনরোড, কারওয়ান বাজার, আগারগাঁও, ফকিরাপুল বাসের সংখ্যা কম দেখা যায়। শুধুমাত্র কিছুসংখ্যক গণপরিবহণ, রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রীরা। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি চোখে পড়ছে।
এদিকে গণতন্ত্র মঞ্চ, গণ অধিকার পরিষদসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো বিএনপির এই হরতালে সমর্থন দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জামায়াতে ইসলামীও আজ সারা দেশে সকাল–সন্ধ্যা হরতাল পালন করছে।
এর আগে শনিবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে ‘পুলিশের হামলার প্রতিবাদে’ বিএনপি এই হরতাল ডেকেছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে কাকরাইলসহ কয়েকটি রাজধানীর কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিএনপি নেতাকর্মীদের। এতে একজন পুলিশ সদস্য ও একজন যুবদল নেতা নিহত হন।
