রামগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের দায়ে যুবক গ্রেপ্তার

শেয়ার

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামি ইব্রাহীমকে গ্রেপ্তার করছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার উপজেলার ৪নং ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের কাজিম উদ্দিন বেপারী বাড়িতে। সৃষ্ট ঘটনায় প্রতিবন্ধী কিশোরীর মা বিউটি বেগম বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ৯(ক)ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার ৩মে রামগঞ্জ থানা পুলিশ রামগঞ্জ থানার এস আই মোঃ ময়নাল হোসেন ইছাপুর থেকে বখাটে ধর্ষক ইব্রাহীমকে আটক করে লক্ষ্মীপুর জেলহাজতে প্রেরন করেন।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের কাজিমুদ্দি বেপারী বাড়ির তাজুল ইসলামের প্রতিবন্ধী মেয়ে মরিয়ম আক্তারকে একই গ্রামের তফাদার বাড়ির মোঃ সিরাজুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহীম জোরপূর্বক পরিত্যাক্ত বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ধর্ষিতা ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী মরিয়ম আক্তারের মা বিউটি বেগম জানান, আমার মেয়ে প্রতিবন্ধী মরিয়ম আক্তার। ইব্রাহীম তাকে জোর পূর্বক সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। মরিয়ম চিৎকার করার চেষ্ঠা করলে ইব্রাহীম তাকে মুখ চেপে ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ধর্ষণ শেষে সে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মরিয়ম বাসায় আসলে আমরা তার পরনের জামা ও পায়জামাতে রক্ত দেখতে পাই। প্রচুর রক্তক্ষরণ দেখে আমরা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। ডাক্তার তার রক্তক্ষরণ দেখে বুঝতে পেরে প্রাথমিক ভাবে মরিয়মকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে। পরে আমরা রামগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছি।

অভিযুক্ত ইব্রাহীমের বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমরা ছেলে ইব্রাহীমের নামে ধর্ষণের একটি মামলা করেছে। আমার ছেলে অভিযুক্ত কিনা সেটা আদালত প্রমাণ করবে।

স্থানীয় মেম্বার বিল্লাল হোসেন জানান, অভিযুক্ত ইব্রাহীমের বাবা সিরাজুল ইসলাম আমাকে বিষয়টি জানিয়ে থানায় আসতে বলে। থানায় এসে দেখি ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে।

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমদাদুল হক জানান, ভুক্তভোগী কিশোরী মরিয়ম আক্তার ও তার মা বিউটি বেগম থানায় হাজির হইয়া ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষক ইব্রাহীমকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.