বিশেষ প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের দেনায়েতপুর গ্রামের আজিজুর রহমান মুন্সি বাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আহম্মদ এর কাছ থেকে তিনটি দলিলে পর্যায়ক্রমে ২৪ শতক জায়গা কিনে পরিমানের বেশী দখর করে আছে মৃত শহিদ উল্যা মাস্টারের ছেলে রিপন ও তার সহোদররা।
অতিরিক্ত জায়গা ছেড়ে দেওয়াতো দুরে থাক শহিদুল্লা মাস্টারের মেঝ ছেলের বৌ একটি পত্রিকার সাংবাদিক হওয়ার মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে হামলা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার অব্যাহত হুমকী দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিকার দাবি কওে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বাঙ্গালী।
তকাল ২ আগষ্ট মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উপজেলা যুবলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা রফিক বাঙ্গালী জানান তার বাব বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আহম্মদ এর কাছ থেকে তিনটি দলিলে পর্যায়ক্রমে ২৪ শতক জায়গা কিনে পরিমানের বেশী দখর করে আছে মৃত শহিদ উল্যা মাস্টারের ছেলে রিপন ও তার সহোদররা। পাচ দফায় শালিশ কওে তাদেও জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের পরিবারের সাথে মধুর সম্পক রেখে কৌশলে তারা অনুমানিক ১০ শতাংসের মত জায়গা বেশী ভোগ দখল করে খায়। তাদের জবর দখলে থাকা জমি উদ্ধারের চেস্টা করলেই তারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে আমাদের ন্যায্য পাওনার বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ফেলে। হাজর চেস্টা করেও তাদের শালিশে বসানো যায়না। কা্হিউকে তোয়াক্দুকা করতে চান না তারা। মাস্টারের মেঝ ছেলের বৌ ঢাকায় একটি পত্রিকার সাংবাদিক হওয়ার মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে হামলা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার অব্যাহত হুমকী দিয়ে যাচ্ছে ।
গত ২৫ জুলাই দৈনিক মানব জমিনে রায়পুর লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি আব্দুল লতিফের পদবী দিয়ে “রায়পুওে জমি দখল করে গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে আমদের পরিবারের নামে যা খুশি তা লিখে একটি সংবাদ প্রকাশ করে।
পরে রায়পুর প্রতিনিধিকে বিষয়টি প্রেসক্লাবের মাধ্যমে জানানো হলো তিনি ওই তারিখে এমন সংবাদ করেননি বলে জানন। প্রকাশিত ওই সংবাদটি শুধু মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীনই নয় তা কোন কোন অসৎ পরিকল্পনা চরিতার্থ করতে করা হয়েছে। রিপোর্টে আমি আমার প্রবাসী ভাই দেলোয়ার হোসেন দুলালের নামোল্লেখ কওে বলা হয় অমরা জোর পূর্বক জমি দখল করে বহিরাগত লোকজন দিয়ে মুল্যবান গাছগাছালি কেটে চলাচলের রাস্তা নাকি আরা নির্মান করেছি। অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে তাদেও দখলেরই আমার বাবার বিক্রি করা জায়গার বেশী পরিমান দখলে আছে।
এবং আমরা সঠিক মাপজোপের কথা বললেই তারা সাংবাদিক দিয়ে আমাদের হেনস্তার ভয় দেখান। আমরা প্রশাসনের কাছে এঘটনার সুবিচার চাই।
মাবজমিনের রায়পুর উপজেলা প্রতিনিধি রিপোর্টি তিনি লিখেননি এবং কেন তার পদবী ব্যবহার করে মানবজমিনে প্রকাশ করা হয়েছে তা জানতে চেয়ে উর্ধ্বনত কতৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান।
