ঋণখেলাপির অভিযোগে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের দুটি রিট সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার রিটটি বুধবার খারিজ করা হয়।
আর নোয়াখালী-৪ আসনের জন্য করা রিটটি খারিজ করা হয় মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর)। ঋণখেলাপির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা গত ৩ ও ৪ ডিসেম্বর ওই দুই আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে শুনানির পর গত ১৩ ডিসেম্বর মান্নানের দুটি আপিল নামঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট করেন আবদুল মান্নান। আদালতে মান্নানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ মঈন আলম ফিরোজী। ইসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ শফিক মাহমুদ।
ইসির আইনজীবী শেখ শফিক মাহমুদ বলেন, রিট খারিজ করায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।
ফলে আবদুল মান্নান নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। এদিকে ময়মনসিংহ-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালামের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে আদেশই বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আসনটির অন্য প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদীন খান আবেদন করেছিলেন। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বুধবার তার আবেদনে নো অর্ডার দেন। ফলে হাইকোর্টের আদেশই বহাল থাকে।
আনোয়ারুল আবেদীন খান ময়মনসিংহ-৯ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ময়মনসিংহ-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেন আনোয়ারুল আবেদীন খান। শুনানির পর ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৫ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে কমিশন। ইসির এ সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে প্রার্থিতা ফিরে পার আব্দুস সালাম, যা বহাল রাখলেন চেম্বার আদালতও।
