রামগতির মেঘনায় দানবের থাবায় ধ্বংশের মুখে বহুজাতিক মাৎস্য প্রজাতি

শেয়ার

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা নদীতে দানবের থাবায় ধ্বংশের মুখে বহুজাতিক সামুদ্রিক মাৎস্য প্রজাতি।

কারেন্ট জেলের অবাধ ব্যবহার, বিষ দিয়ে মৎস্য আহরন, সমুদ্রের দানব নামে পরিচিত বিহুন্দি জালের অবাধ ব্যবহার, নদীতে বাঁশ ও বেত দিয়ে বানানো ডোল ফেলে কোটি কোটি পাঙ্গাসের পোনা নিধন সহ নিষিদ্ধ নেট দিয়ে চিংড়ি রেণু পোনা আহরনের ফলে মাৎস্য শুন্য হয়ে পড়ছে বৃহত্তর নোয়াখালীর মৎস্য ভান্ডার সুস্বাদু ইলিশের বসতি মেঘনা নদী।
জানা যায়, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিনই চলছে অবাধে চিংড়ি রেণু পোনা আহরণ সহ জাটকা, পোয়া ও পাঙ্গাসের পোনা নিধনের মহোৎসব। প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, ঘুষখোর আইন-শৃংখলা বাহিনী, অসাধু মৎস্য কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে মুনাফাখোর দাদন ব্যবসায়ী মৎস্য আড়ৎদারদের প্রত্যক্ষ মদদে জেলেরা প্রতিদিন মেতে উঠছে এ মৎস্য ভান্ডার ধ্বংশের উৎসবে।

প্রতিদিন হাট বাজারে প্রকাশ্যে পোয়া, জাটকা, বাটা, পাঙ্গাস সহ এ সমস্ত পোনা মাছের বাগা বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে ৫০/১০০ টাকা দরে। যার ফলে মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে মিলছেনা কাঙ্খিত রূপালী ইলিশ কিংবা পাঙ্গাস সহ নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: জসিম জানান, জেলেদের সচেতন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে। জেলেদের দেয়া হচ্ছে নানান ধরনের প্রণোদনা। এছাড়া আমরা প্রতিনিয়ত যৌথ অভিযান পরিচালনা করছি। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে করা হচ্ছে জেল জরিমানা। মেঘনা পাড়ের জেলেদের সচেতন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সামুদ্রিক পরিবেশ ধ্বংশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.