আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌর শহরের জিয়াা শপিং কমপ্লেক্সে চাঁদার দাবিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৬ এপ্রিল) রাত ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রামগঞ্জ থানা পুলিশের এস আই মোঃ অলি উল্ল্যা ও স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান শুভ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সৃষ্ট ঘটনায় তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকগন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় পৃথক পৃথক মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য সচিব শহীদ চৌকিয়া ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহেল চৌকিয়ার নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এই হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভুগী ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় লেদার হাউজ ও কিডস পার্কে ১০ থেকে ১২ জনের দুর্বৃত্ত ক্রেতা সেজে দোকানে প্রবেশ করে কোনো কিছু বুঝে না ওটার আগেই দোকানের মালিকদের মারধর সহ দোকান ভাংচুর ও দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়াও দ্বিতীয় তলায় সু-গার্ডেন বন্ধ থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা ভাংগার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে চাপাতি দিয়ে এলাপাতাড়ি দোকানের সাটার কুপিয়ে চলে যায়।
লেদার হাউজের মালিক আকবর হোসেন সৈকত ও কিডস পার্কের ইমরান হোসেন বাবলু সাংবাদিকদের জানান, ক্রেতা সেজে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুর্বৃত্তের দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে প্রবেশ করেই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব শহীদ চৌকিয়া ও সোহেল চৌকিয়াকে চাঁদা না দিলে জিয়া শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসা করতে পারবিনা বলেই দোকানে অতর্কিত হামলা চালায় এবং আমাদের মারধর করে। এছাড়াও হামলাকারীদের মধ্যে পৌর টামটা ওয়ার্ডের গাড়ি চালক রাকিব নামে একজন ছিলেন বলে জানান ভুক্তভুগী ব্যবসায়ী।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য সচিব সহিদ চৌকিয়া জানান, এগুলো সব ষড়যন্ত্র মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি ও আমার ভাই সহ আমরা সন্ধা ৭টায় মার্কেট থেকে বাড়িতে চলে এসেছি। দোকান ভাংচুরের বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা।
রামগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
