মইনুল আবেদিন খান সুমন,বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনায় চাঞ্চল্যকর হৃদয় হত্যা মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৯ জন আসামীদের মধ্যে ১৬ জন আসমীকে বিভিন্ন মেয়াদে আটক আদেশ এবং ৩ জনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ ২৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার ) বরগুনা শিশু ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষনা করেন।
শিশু আদালতে রায় অনুযায়ী ইউনুছ কাজী, রানা আকন, ইমন হাওলাদার, জুয়েল কাজী,সজীব, নাজমুল সিকদার,অন্তর, সিফাত, সাইফুল মৃধা ও রাব্বি কে ১০ বছরের আটকাদেশ, সাগর গাজী, সাইফুল কাজী, সোহাগ কাজী ও ফাইজুল ইসলামকে ৭ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়। এই মামলায় শফিকুল ইসলাম, নাঈম কাজী ও রবিউল ইসলামকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা শিশু আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। এ মামলায় ১৯ জন অপ্রাপ্ত বয়সস্ক (শিশু কিশোর) আসামির রায় ঘোষণা করা হয়েছে আজ। আমি মনে করি বিচারক ন্যায় বিচার করেছেন। বাকি প্রাপ্ত বয়সস্ক আসামিদের বিচারও ন্যায় বিচার পাবো।
হৃদয় হত্যা মামলার বাদী ফিরোজা বেগম (হৃদয়ের মা) বলেন, এ রায়ে আমি সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি, বাকিদের প্রাপ্তবয়স্ক আসামীদের সঠিক বিচার হলে এভাবে আর কোন মায়ের বুক খালি হবে না।
আসামী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট হুমায়ন কবীর বলেন, এ রায়ে আমাদের উপর অবিচার করা হয়েছে, আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের কাছে আপিল করব।
উল্লেখ্য যে, ২৫ মে ২০২০ সালে ঈদুল ফিতরের দিনে ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামে বুড়ীশ্বর নদীর পাড়ে সুজন ওরফে হৃদয়কে পূর্বশত্রুতার জেরধরে পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। ২৬ মে ২০২০ বরিশাল শেরেই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাদিন অবস্থায় মারা যায়। হৃদয়ের মা গৃহপরিচারিকা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জন শিশু কিশোরসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।
