রামগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নেতাকর্মীদের

শেয়ার

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শোকের মাসে মেলার আয়োজন নিয়ে তোলপাড় চলছে। আগষ্ট মাস শেষ তো মেলাও শেষ। উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন দিলুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গত ১৬ আগষ্ট থেকে পানিয়ালা বাজার সংলগ্ন আকারতমা নামক স্থানে মেলা শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বত্র নেতাকর্মীদের মাঝে সমালোচনার সৃষ্টি হলে ৩১আগষ্ট বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ওই চেয়ারম্যান মেলার কার্যক্রম তাৎক্ষনিক বন্ধ করে দেন।

এরই সাথে চেয়ারম্যান সহ জড়িত নেতাদের এমন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আকম রুহুল আমিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নীয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করেই উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন দিলু গোপনে গত ১৬আগষ্ট জমকালো আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে মেলার উদ্ভোধন করেন। প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিদের কোন অনুমতি না নিয়ে চেয়ারম্যানের নির্দেশে প্রতিদিন মাসেহারা দিয়ে অসাধু নামধারী কিছু ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাদের মাধ্যমে মেলার সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। মেলার উদ্যোক্তা ছিলেন মোঃ হাসান (বকুল), কবির হোসেন সোহেল, ভোলাকোট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক ও মেলা কমিটির সভাপতি ইমন রনি, সহ-সভাপতি ফয়েজ বাবু, সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মিঠু, সদস্য রাতুল, ফাহাদ, ইউছুপ, মিলন, সুপ্ত, বাধন পাটওয়ারী, শামীম পাঠান, আশিক হোসাইন সহ প্রমুখ।

এব্যাপারে ভাটরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মিঠু জানান, আমি মেলায় গিয়েছি সত্য। শোকের মাসে এরকম জমকালো মেলার আয়োজন বিষয়ে আমি আগে কিছু জানতাম না। আমি নিষেধও করেছিলাম।

উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রাকিবুল হাসান মাসুদ জানান, আমি মনে করি এই মেলার আয়োজন আওয়ামীলীগকে বিতর্ক করার জন্য করা হয়েছে। এমন কর্মকান্ডের জন্য চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

অভিযুক্ত ভোলাকোট ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দিলু জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরচেয়ে বেশী কিছু বলতে পারবো না।

রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আকম রুহুল আমিন জানান,কাউকে না জানিয়ে কিভাবে কার অনুমতি নিয়ে মেলাটি চললো তা আমার বোধগম্য নয়। আমি সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে মেলাটি বন্ধ করার জন্য বলে দিয়েছি। শোকের মাসে এধরনের আনন্দ উদ্যাপন দুঃখজনক।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.