শীত মানেই শুষ্কতা। আর এই শুষ্কতা প্রকৃতি থেকে ছড়িয়ে যায় ত্বকেও। তাই এ সময় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই ঠোঁট ফাটতে দেখা যায়। ঠোঁট ফাটলে যেমন খারাপ লাগে, তেমনি যন্ত্রণাও কম নয়। শীত মৌসুমে ঠোঁটকে যত্নে রাখতে হয়। শীতে সহজেই ঠোঁট ফাটা রোধ করতে পারেন এমন কিছু টিপস দেওয়া হলো-
• এই সময় ঠোঁট সব সময় ভেজা রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পরপর লিপবাম বা ভ্যাসলিন-জাতীয় ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে রাখতে হবে। এ ছাড়া ঠোঁটে হাইড্রেটিং রাখতে মোম, শিয়া মাখনের মতো উপাদান আছে এমন লিপবাম ব্যবহার করতে হবে।
• অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ঠোঁটকে রক্ষা করতে বাইরে বেরোনোর আগে মুখের পাশাপাশি ঠোঁটেও সানস্ক্রিন লাগান। লাগানোর সময় হালকা পানি মিশিয়ে নিন। ঠোঁটের লিপবামে সূর্য থেকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো উপকরণ (এসপিএফ) আছে কি না, দেখে নিন।
• লিপস্টিক বা কসমেটিকস ওঠাতে ক্লিনজার ব্যবহার করুন এবং এরপর পুরু করে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।
• ঠোঁটে এক ফোঁটা ঘি লাগিয়ে রাখলেও ঠোঁট নরম থাকবে। মধু ও গ্লিসারিনের পেস্ট বানিয়ে লাগালে ঠোঁট ফাটবে না।
• ঠোঁটের আর্দ্রতা ফেরাতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে নিয়ে ঠোঁটের ওপর লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁট নরম থাকবে।
• ঠোঁট ফাটার হাত থেকে বাঁচতে হলে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর্দ্রতা ধরে রাখতে হলে মৃত কোষ সরিয়ে ফেলতে হবে। ঠোঁটে এক্সফোলিয়েট করতে মধু ও গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া চিনি ভালো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। কাঠবাদামের সঙ্গে চিনি গুঁড়া মিশিয়েও এক্সফোলিয়েট করতে পারেন এবং মৃত কোষ ঠোঁট থেকে তুলে ঠোঁটকে নরম করবে।
• ঠোঁট মোলায়েম রাখতে তিলের তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠোঁটে নারকেল তেল লাগাতে পারেন।এতে ঠোঁট ফাটা দূর হবে।
• যদি ঠোঁট ফেটে নিয়মিত রক্ত বের হলে অবশ্যই একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
