রামগঞ্জে শালীকে ধ’র্ষনের দায়ে দুলাভাই জেল হাজতে

শেয়ার

আবু তাহের,রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শালীকে ধর্ষনের দায়ে মোখলেছুর রহমান বাবু নামের এক দুলাভাইকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।

শশুর মোঃ রহমত উল্যা বেপারীর দায়ের করা মামলায় থানা পুলিশ ১২জুলাই ভোর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি ঘটেছে ১১জুলাই রাত ৮টায় উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের আকারতমা গ্রামের বেপারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী পরিত্যাক্ত বাগানে।

বিষয়টি তাৎক্ষনিক জানাজানি হলে তার স্ত্রী ও শশুর বাড়ির লোকজন ধর্ষক বাবুকে আটক করে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ করে। আটকের পর পুলিশ ধর্ষক বাবুকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে লক্ষ্মীপুর জেল হাজতে প্রেরন করেন। মোখলেছুর রহমান বাবু ২নং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আশার কোটা গ্রামের নোয়া বাড়ির আবদুল কাদেরের বখাটে ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ২নং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আশারকোটা গ্রামের নোয়া বাড়ির আবদুল কাদেরের ছেলে মোখলেছুর রহমান বাবু প্রেম করে ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের আকারতমা গ্রামের বেপারী বাড়ির রহমত উল্যা বেপারীর বড় মেয়ের সাথে বিয়ে হয়। এর পর এক বছর যেতে না যেতেই তাদের সংসারে স্বামী/স্ত্রীর বনিবনা না হওয়ায় স্ত্রী রোমানা আক্তার আকারতমা বাপের বাড়িতে চলে যায়।

এরই সুবাদে থেকে বাবু শশুর বাড়িতে সবসময় থাকার সুবাদে নিজ শালীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষন করে। পরে শালী বিষয়টি পরিবারের মা বোনদেরকে জানালে ১২জুলাই রাতে রামগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করলে পুলিশ দুলাভাই মোখলেছুর রহমান বাবুকে গ্রেপ্তার করে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে প্রেরন করেন।

বাবু মা হাসিনা বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকে বাবুর শশুর বাড়ির লোকজনের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। বিয়ের ৪ বছরের মাথায় আমার ছেলেকেও তাদের বাড়িতে নিয়ে গেছে। ছেলের সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ নাই। এখন কি হয়েছে সেটাও আমরা জানিনা। ধুর্ষিতার পিতা রহমত উল্যা জানান, বাবু আমার জামাই নয়। সে পশুর চেয়ে বেশী খারাপ হয়ে গেছে। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমদাদুল হক জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ভিকটিমের পিতার দায়ের করা মামলায় বাবুকে গ্রেপ্তার করে লক্ষ্মীপুর কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.