বি-লাভ ক্যান্ডিকে পাত্তাই দিলো না গল টাইটান্স। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেলো তারা। সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৮৩ রানে জিতেছে গল। টিম সেইফার্টের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে ৯৫ রানের জুটি গড়ার পর বোলিংয়ে দুই উইকেট নেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে গলের ১০ ওভারে স্কোর ৩ উইকেটে ৬৩। সাকিব ও সেইফার্ট জুটির বয়স তখন কেবল ৪ বল, রান যোগ করেছেন ৩। ১১তম ওভার থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। শেষ ১০ ওভারে ১১৭ রান করে গল, যাতে স্মরণীয় অবদান রাখেন বাংলাদেশি ও নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটার। ডাম্বুলা অরার বিপক্ষে সুপার ওভার থ্রিলার জিতে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) শুরু করেছিল গল। সাকিব ব্যাটে-বলে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন। মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে আরও উজ্জ্বল তিনি। ক্যান্ডির বিপক্ষে ২১ বলে ২ ছয়ে করেন ৩০ রান।

৬০ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর সাকিব ক্রিজে নামেন। আগে থেকেই ছিলেন সেইফার্ট। চতুর্থ উইকেটের এই জুটিতে গলের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৫২ বলে ৯৫ রান! তাতে সাকিবের চেয়ে প্রায় দুই গুণ বেশি অবদান সেইফার্টের। ৩৯ বল খেলে পাঁচটি করে চার ও ছয়ে ৭৪ রান করে থেমেছেন নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটার। তার আগে ১৮তম ওভারে দৌড়ে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে নন স্ট্রাইকে রানআউট হয়ে সাকিব প্যাভিলিয়নে ফেরেন। পরের ওভারে বিদায় নেন সেইফার্ট।
এরপর দাসুন শানাকা ও লাহিরু সামারাকুন ইনিংস শেষ করে আসেন। কাকতালীয় ব্যাপার, প্রথম ম্যাচের মতোই একই স্কোর করেছে গল, ৫ উইকেটে ১৮০ রান। ডাম্বুলার বিপক্ষেও ২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ড একই রকম ছিল।
১৮১ রানের লক্ষ্য ক্যান্ডির কাছে পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়। পাওয়ার প্লের শেষ বল হাতেই ৩৬ রানে নেই ৫ উইকেট।
আসিফ আলী ও আমির জামাল সামান্য প্রতিরোধ গড়েছিলেন। সাকিব বল হাতে নিতে ভেঙে যায় সেটি। নবম ওভারে নিজের প্রথম বলে আসিফকে আকিলা ধনঞ্জয়ার ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। ওই ওভারে দেন মাত্র ২ রান।
সাকিবের দ্বিতীয় ওভার থেকে ৪ রান করে আশেন বান্দ্রা ও জামাল জুটি। আরেক ওভার বল হাতে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট পান সাকিব। আমির হন বোল্ড। তিন ওভারে সাকিব ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তাবরাইজ শামসি টানা দুই ওভারে দুই ব্যাটারকে ফেরান। ১৮তম ওভারে মোহাম্মদ হাসনাইনকে বিদায় করে ক্যান্ডিকে গুটিয়ে দেন আকিলা।
সেইফার্ট-সাকিবের জুটির চেয়ে মাত্র দুটি বেশি রান করে ক্যান্ডি। ৯৭ রানে অলআউট তারা। সাকিবের মতোই দুটি করে উইকেট পান কাসুন রাজিথা, রিচার্ড এনগারাভা, শামসি। ম্যাচসেরা হন সেইফার্ট।
