মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে খুলনায় দাফন না করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
তার মৃত্যুর খবরে খুলনার বসুপাড়ায় দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে মরদেহ মাদ্রাসায় আনা এবং অসিয়ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে দাফনের বিষয়ে আলোচনা হয়।জীবদ্দশায় সাঈদীর করে যাওয়া অসিয়ত অনুযায়ী মরদেহ দাফনের জন্য এই মাদ্রাসায় নির্ধারিত স্থান রয়েছে।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহানগরীর বসুপাড়া এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
এ সময় মাদ্রাসার সামনে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশার নেতৃত্বে মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলে অংশ নেন মহানগর যুবলীগ সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ, সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর টিপু প্রমুখ। এ সময় বসুপাড়া এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা জামে মসজিদের পেশ ইমাম আসাদুজ্জামান বলেন, জীবদ্দশায় দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওসিয়ত অনুযায়ী তার জন্য মাদ্রাসার অভ্যন্তরে দাফনের জায়গা রয়েছে।
দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে যাতে দাফন না করা হয়, সেই ব্যবস্থা নিতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।
জানা যায়, খুলনা শহরে মাদ্রাসা শিক্ষার বিস্তার ঘটানোর জন্য ১৯৮৩ সালে দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
