শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছে শ্রীপুরের খামারিরা

শেয়ার

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রস্তুত রয়েছে ১৫ হাজারেরও অধিক গরু মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। শেষ মুহুর্তে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে খামারিরা পশুর সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুর পৌর শহর ও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ছোট বড় প্রায় পাঁচ শতাধিক খামারে এবার কোরবানির পশু লালন পালন করা হচ্ছে। এ সব পশুদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে পাকচং ঘাস, কুড়া, ভুসি, খৈল, খড় ও ভাতের মাড়। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে এসব পশু লালন পালন করছেন খামারিরা।

ঈদ বাজারে বড় গরুর তুলনায় মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদাই বেশি। এসব গরুতে কিছুটা লাভবান হওয়া যায়।

বিদেশি গরু দেশে না আসলে কিছু টাকা লাভের মুখ দেখতে পাবে খামারিরা। পশু খাদ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, শ্রমিকদের মজুরি বেশি থাকায় আশংকা রয়েছে সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে।

খামারিরা যাতে অসাধু উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করতে না পারে সে দিকে নজরদারিসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা।

খাবারের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামীতে কোরবানির পশু লালন পালন অনেকটাই কমে যাবে, এতে করে লোকসানে পড়বে খামারিরা।

শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, এবার কোরবানি উপলক্ষে সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত গরু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। একাধিক টিম উপজেলার খামারিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। অসাধু উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ যাতে করতে না পারে সে দিকেও নজরদারি করা হচ্ছে। সেই সাথে প্রাণিসম্পদ অফিস কর্মকর্তারা প্রতিটি খামারে গিয়ে খামারিদের পরামর্শ দিয়ে আসছে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.