লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

শেয়ার

লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় সুমন ওরফে লিটন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামির উপস্থিতিতে সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ ড. আবুল কাশেম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত সুমন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী রাশেদা বেগম মুক্তা (২৩) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা গ্রামের মৃত তাজল হকের মেয়ে।

আদালত সূত্রে জানায়, ২০০৯ সালে সুমন ও ঢাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক রাশেদা বেগম মুক্তার বিয়ে হয়। ২০১৪ সালের শেষের দিকে তারা চার বছরের মেয়ে সুবর্ণাকে নিয়ে কমলনগরের বাড়িতে এসে বসবাস করতে শুরু করেন। ওই সময় সুমন বাড়ির পাশের ইটভাটায় কাজ করতেন। এরপর থেকে যৌতুকের দাবি ও কারণে-অকারণে স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। এনিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়। ২০১৫ সালের ৯ মার্চ রাতে তারা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। ভোরে সুমন তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান।

এ ঘটনার পরদিন রাশেদা বেগম মুক্তার ভাই আবদুর জাহের বাদী হয়ে কমলনগর থানায় সুমনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় সোমবার সুমনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.