চট্টগ্রামে ইংলিশদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হয় টাইগাররা। সগরিকায় এদিন টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানের সংগ্রহ পায় জস বাটলারের দল। মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় টাইগাররা। প্রথম তিন ওভারে করেন ৩২ রান। তবে পাওয়ার প্লেতে দুই ওপেনার লিটন ও রনিকে হারিয়ে চাপে পরে টাইগাররা। শুরুর সেই চাপ সামলে বাংলাদেশের ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান শান্ত ও অভিষিক্ত হৃদয়। শেষ পর্যন্ত ১২ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় পায় টাইগাররা।
১৫৭ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় টাইগার দুই ওপেনার। প্রথম ওভারেই তুলেন ১০ রান। এ দুই ব্যাটর মিলে গড়েন ৩২ রান। তবে সে ধারাটা ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা।
বিদায় নিয়েছেন দুই ওপেনারই। পেসারদের খুব ভালোভাবে সমাল দিলেও চতুর্থ ওভার করতে আসা লেগ স্পিনার আদিল রশিদে বলে ভাঙে এ জুটি। প্রায় ৮ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে চারটি চারে ১৪ বলে ২১ রান করে আউট হন রনি।
কিন্তু লেগ স্পিনার আদিল রশিদের গুগলিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ১৪ বলে চার বাউন্ডারিতে রনি করেন ২১ রান। তার বিদায়ে ৩.৩ ওভারে ৩৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
অপরদিকে রনি আউট হওয়ার পর মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ফেরেন ওপেনার লিটন দাসও। জোফরা আর্চারের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন এই টাইগার উইকেটরক্ষক।
দলীয় ৪৩ রানে সাজঘরে ফেরার আগে লিটন করেন ১০ বলে ১২ রান।
এরপর তৃতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসা হৃদয়কে সাথে নিয়ে ইংলিশ বলারদের কচুকাটা করেন শান্ত। তার সাথে সঙ্গ দিয়ে বোলারদের উপর চড়া হন তৌহিদ হৃদয়ও। এ দুই জুটির অর্ধশতকে ১০০ কোটা পূরণ করেন টাইগাররা। আর নাজমুল শান্ত নিজের নামের পাশে তুলে নেনে অর্ধশতক। তবে দলীয় ১০৮ রানে মঈন আলীর বলে সাজঘরে ফেরেন হৃদয়। এর পরের ওভারে অবশ্য মার্ক উডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন শান্তও।
বিস্তারিত আসছে…
