ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৯৬৭ প্রার্থী (ইসির প্রাথমিক হিসাব)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন মঙ্গলবার ৩০৫ প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের কয়েকজন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সমর্থনে শরিক দলগুলোর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে মাঠে রয়ে গেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ ও সমমনা বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী নেই এ নির্বাচনে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ২৯৮টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। পুনঃতফসিলের কারণে পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ জানুয়ারি।
জাতীয় সংসদের ২৯৮টি আসনে এখন যারা মাঠে রয়েছেন, তাদের নাম ও প্রতীক থাকবে ব্যালট পেপারে। চূড়ান্ত প্রার্থীদের আজ প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরপরই শুরু হবে নির্বাচনি প্রচারযুদ্ধ।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সাদা-কালো ব্যালটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গোলাপি ব্যালট পেপারে গণভোটে তাদের রায় দিতে পারবেন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩৪২২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ২৫৮৫ জন। মনোনয়নপত্র বাতিল হয় ৭২৬ জনের। এর মধ্যে আপিল করেছেন ৬৩৯ জন। আপিলে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন ৪৩১ জন।
