কানাডাকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ সূচনা

শেয়ার

নবম টি-২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডার মুখোমুখি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচটিতে কানাডার দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দাপুটে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।

এই জয়ে স্বপ্নের পথে একধাপ এগিয়ে থাকলো আমেরিকানরা। ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে কানাডা। লক্ষ্য তাড়ায় ৭ উইকেট ও ১৪ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে মোনাঙ্ক প্যাটেলের দল। লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। তবে রানের খাতা খোলার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন কলিম সানা।

প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই স্টিভেন টেইলরকে লেগ বিফোরের ফাঁদে (এলবিডব্লিউ) ফেলেন কলিম। কানাডার জোরালো আবদনে সাড়া দেন রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ। তবে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানান টেইলর। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি। টিভি আম্পায়ারও তাকে হতাশ করেছে।

এরপর ক্রিজে আসেন আন্দ্রেস গাউস। তার সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়েন মোনাঙ্ক। ভয় ধরানো এই জুটি ভাঙেন দিলন হেলিগার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে মোনাঙ্ককে সাজঘরের পথ দেখান হেলিগার। আউট হওয়ার আগে ১৬ রান করেন তিনি। পরে বাইশ গজে আসেন অ্যারন জনস। ঝোড়ো ব্যাটিং করে ২২ বলে ফিফটি করেন তিনি। তার সঙ্গে অর্ধশতক করেছেন গাউসও। ফিফটির পর অবশ্য সাজঘরের পথ ধরেন গাউস। ব্যক্তিগত ৬৫ রানে তাকে থামিয়েছেন নিখিল।

শেষ পর্যন্ত কানাডার বোলারদের তুলোধুনো করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অ্যারন জনস। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। কানাডার হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন কলিম সানা, দিলন হেলিগার ও নিখিল দত্ত। এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে কানাডা। তারই ধারাবাহিকতায় ফিফটি তুলে নিয়েছেন নভনিত ও কিরটন।

আর শেষ মুহূর্তে শ্রেয়াসের উড়ন্ত ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পায় ম্যাপল লিফারসরা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের কাছে সেটি কোনো কাজে আসলো না। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে একটি করে উইকেট নেন হারমীত সিং, কোরি অ্যান্ডারসন ও আলি খান।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.