সাগরিকায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। আর ঘরের মাঠে ওয়ানডে খেলা মানেই আধিপত্য বাংলাদেশের। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের দলের গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান সেই কথাই বলে। তবে আজ মুদ্রার উল্টো পিট দেখতে হয়েছে সাকিব-তামিমদের। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানদের বোলিংয়ে তোপে বৃষ্টি আইনে নির্ধারিত ৪৩ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬৯ রান।
সাগরিকায় টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। এ জুটিতে গড়েন ৩০ রান। কিন্তু ফারুকির ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারেই হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলটি কাট করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে গর্জে ওঠার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তামিম।
কিন্তু এবার বেশ খানিকটা লাইন পরিবর্তন করলেন ফারুকি, এই বলে আলতো করে ব্যাট চালিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনেন টাইগারদের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার। আর তামিমকে ফিরিয়ে পাওয়ার প্লেতেই প্রথম উইকেটের দেখা পেয়ে যায় আফগানিস্তান। ১৩ রানে ফেরেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। দলীয় ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতে তামিম ফেরার পর চাপ সামলে নিয়ে খোলস ছেড়ে বের হতে শুরু করেন লিটন দাস। কিন্তু বের হওয়ার আগেই তাকে থামতে হয় মুজিব উর রহমানের শিকার বনে। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান।
লিটনের বিদায়ের পরপরই মাঠ ছাড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যর্থতার বেড়াজাল ছিড়ে বের হতে ব্যর্থ হয়ে এবারও তাকে মাঠ ছাড়তে হয় ১২ রান করে। এরপর চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে আসে তৌহিদ হৃদয়। তাকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হসান। এ দুই জনের জুটিতে দলীয় শতরান পার করে টাইগাররা।
তবে দলীয় শতরান করে বেশিক্ষণ উইকেটে থিতু হতে পারেননি সাকিব। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের করা বলে দলীয় ১০৯ রানে আউট হন টাইগার অলরাউন্ডার। এতে হৃদয়ের সঙ্গে সাকিবের জুটি থামল ৩৭ রানে। ৩৫ বলে ১৪ রান করেন সাকিব আল হাসান। এর পর পঞ্চম উইকেটে আসেন মিষ্টার ডিপেন্ডবল মুশফিকুর রহিম। তবে উইকেটে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি এই মুশফিক। সাকিবের আউট হওয়ার তিন রান ব্যবধানে রশিদ খানের করা বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ৩ বলে করেন ১ রান।
