শিশু নভেল সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবাসী হাজী লিটনের ছেলে। সে পৌরসভার উত্তর তেমুহনী এলাকার আল মুঈন ইসলামী একাডেমীর ৩য় শ্রেণির ছাত্র। অভিযুক্ত শিক্ষক ফয়সাল সমসেরাবাদ গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে।জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ মার্চ) আল মুঈন ইসলামী একাডেমীতে ওই ছাত্রকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু শিশুর পরিবার তাৎক্ষণিক সদর মডেল থানায় অভিযোগ করে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনী কোন সহায়তা না পাওয়ায় তারা ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেন।আল মুঈন ইসলামী একাডেমীর সুপার বশির আহম্মেদ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। নির্যাতিত শিশুর পরিবারকে আইনি পরামর্শ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
অশ্রেণীভুক্ত
লক্ষ্মীপুরে মাদরাসা ছাত্রকে পিটিয়ে জখম, শিক্ষক বরখাস্ত
লক্ষ্মীপুরে শাহিন আলম নভেল (৯) নামে এক মাদারাসা ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা করেছে শিক্ষক। পড়ালেখায় অমনোযোগী হওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক মো. ফয়সাল তাকে এলোপাতাড়ি পেটান। এতে তার পিঠ, হাত ও পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে কালো ফোলা জখমের চিহ্ন রয়েছে।বুধবার (৭ মার্চ) দুপুরে সদরের চররুহিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির পাটোয়ারীসহ শিশুটির অভিভাবকরা ঘটনার বিচার চান। এসময় তারা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের কাছে অভিযোগ করেন। পরে ইউএনও দুই পক্ষকে তার কার্যালয়ে ডেকে নেন। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ক্ষমা চান। এতে নির্যাতিত শিশুটির বাবা হাজী লিটন বিচারের দাবিতে অটল থাকায় ইউএনও তাদেরকে আইনী পদক্ষেপের নেয়ার পরামর্শ দেন।
