যে তিন কাজে দেরি করতে নিষেধ করেছেন নবিজি (সা.)

শেয়ার

আলি ইবনে আবু তালেব (রা.) থেকে বর্ণিত, নবি (সা.) তাঁকে বললেন, ‘হে আলি, তিন কাজে দেরি করবে না। সময় হয়ে গেলে নামাজ আদায়ে, জানাজা এসে গেলে জানাজার নামাজ পড়তে এবং কুফু মিলে গেলে বিবাহে বিলম্ব করবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১৭১)

এক. নামাজের সময় হলে: ইমানের পর নামাজের গুরুত্ব সর্বাধিক। ইমান ও নামাজের মধ্যে পার্থক্য করে দেয় নামাজ। আল্লাহ যথাসময়ে নামাজ আদায়ের কথা বলেছেন। কোরআনে আছে, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুসলমানদের ওপর তার নির্ধারিত সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)। সময়মতো নামাজ পড়া ইমানি দায়িত্ব। কাসিম ইবনে গান্নাম (রহ.) থেকে বর্ণিত, তাঁর ফুফু ফারওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বাইয়াত গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করা হলো, কোন কাজটি সবচেয়ে ভালো? তিনি বললেন, প্রথম সময়ে নামাজ আদায় করা।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১৭০)

দুই. জানাজা উপস্থিত হলে: কোনো মুসলমান মারা গেলে তার উত্তরাধিকার বা নিকটাত্মীয়দের কর্তব্য হলো, মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত গোসল করিয়ে কাফন-দাফন করা। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মৃত ব্যক্তির জানাজা দ্রুত শেষ করো। যদি সে ভালো ব্যক্তি হয়, তবে তা তার জন্য কল্যাণ। আর যদি সে ভালো ব্যক্তি না হয়, তবে তা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে।’ (বুখারি, হাদিস: ১৩১৫)

তিন. বিবাহযোগ্য উপযুক্ত পাত্রের বিয়ে: ছেলে-মেয়ে উভয়ের বংশমর্যাদা ভালো, সৌন্দর্য, কুফু বা সমতা বিধান এবং দ্বীনদার হলে দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করা উত্তম। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সক্ষমতা থাকলে কোনোভাবে বিয়ে পিছিয়ে করা ঠিক নয়। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে বলেছেন, ‘তোমাদের যে ব্যক্তি বিয়ের খরচাদির সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে। আর যে ব্যক্তি অসমর্থ, সে যেন রোজা রাখে। এটা তার যৌনশক্তির নিয়ন্ত্রক।’ (নাসায়ি, হাদিস: ৩২০৮)

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.