কমলনগরে কলেজছাত্র জুনাইদের প্রচেষ্টায় মেঘনাপাড়ের শিশুদের মুখে হাসি

শেয়ার

লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের ছাত্র জুনাইদ আল হাবিবের প্রচেষ্টায় কমলনগরের মেঘানপাড়ের শতাধিক অসহায় শিশু ঈদের জামা ( নতুন পোষাক) পেয়েছে। নতুন জামাতে ঈদ কাটবে নদীভাঙ্গা অসহায় পরিবারের শিশুদের। ঈদের পোষাক পেয়ে কচি-কচি মলিন মুখে হাসি ফুটেছে।
কলেজছাত্র জুনাইদ আল হাবিব নদীভাঙন কবলিত কমলনগরের মেঘনাপাড়ের শিশুদের ঈদের পোষক কিনতে সহযোগীতা চেয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেয়। লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক হুমায়রা বেগম ওই পোস্ট দেখে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অসহায় শিশুদের জন্য জামা কিনাতে টাকা দেন। জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে টাকা পেয়ে জুনাইদের আগ্রহ ইচ্ছ শক্তি বেড়ে যায়। এরপর সে পরিচিত কয়েকজনের কাছ থেকে আরও কিছু টাকা সংগ্রহ করে। সংগ্রহিত টাকা দিয়ে মেঘনাপাড়ের  অসহায় শিশুদের জন্য ঈদের জামা কিনে নেয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়নের তালতলি বাজার নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মেঘনাপাড়ের শতাধিক শিশুদের মাঝে ঈদের জমা বিতরণ করা হয়। নতুন জামা পেয়ে অসহায় শিশু নিবর, মোকাতার, আসমা, শুকুরা খুশি হয়েছে। শতাধিক মলিন মুখে হাসি ফুটেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রধান প্রফেসর মাহবুবে এলাহী সানি, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক খালেদ মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, স্থানীয় পশ্চিম চর লরেন্স মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক নুর হোসেন পারভেজ, পুলিশ সদস্য ইসলামই রুবেল, সমাজ কর্মী সাইফুল আলম মাছুম, কলেজ ছাত্র ইয়াসিন, রবিন, তুহিন, ছোবাহন প্রমুখ।
জুনাইদ আল হাবিব লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ও কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের বাসিন্দা স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম আবদুল হাদির ছেলে।
জুনাইদ জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্ট দেখে জেলা প্রশাসক শিশুদের জন্য জামা কিনতে টাকা দেওয়ার পর আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। পরে ফেসবুক ও মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যম্যে পরিচিত আরও কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করলে তারও সহযোগীতার হাত বাড়ায়। সহযোগীতায় মেঘানাপাড়ের শিশুদেরকে নতুন জামা কিনে দিতে পেরে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে।

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.