অবসান ঘটতে যাচ্ছে ইমরান খনের । তিনি এখন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার পদে কে আসছেন সে আলোচনা আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে।
তবে এক্ষেত্রে পিএমএলএনের প্রধান শাহবাজ শরীফ ফ্রন্টরানার। বলা হচ্ছে, ইমরান খানের পরে তিনিই হতে পারে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের বাইরে তিনি খুব বেশি পরিচিত না হলেও দেশের ভিতরে তার সুনাম আছে। বিশেষ করে একজন কার্যকর প্রশাসক হিসেবে।
তিনি তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ছোটভাই।
৭০ বছর বয়সী শাহবাজ শরীফ তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে বিরোধ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বেই ইমরান খান সরকারকে উৎখাত করতে সক্ষম হয়েছে বিরোধী জোট। বিশ্লেষকরা বলছেন, নওয়াজ শরীফের মতো না হয়ে তিনি পাকিস্তানের শক্তিধর সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছেন। ২২ কোটি জনসংখ্যার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ন্ত্রণ করে সেনাবাহিনী।
শাহবাজ শরীফের প্রশাসনিক দক্ষতা দেখা গেছে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে। তিনি বেইজিংয়ের অর্থায়নে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। গত সপ্তাহে তিনি বলেছেন, ভাল বা মন্দ হোক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পক্ষান্তরে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন ইমরান খান। ১৯৯৯ সালে নওয়াজ শরীফকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক সেনাপ্রধান পারভেজ মোশাররফ। এ সময় শাহবাজ শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সৌদি আরবে নির্বাসনে যান।
২০০৭ সালে দেশে ফিরে আসেন। নওয়াজ শরীফ ২০১৭ সালে দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে যান। তখন থেকেই পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের প্রধান হিসেবে দলের হাল ধরেছেন শাহবাজ শরীফ। এর পরই তার পরিচিতি বাড়তে থাকে।
