জামান আরিফ, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পিতা পুত্রের উপর হামলা ও দোকান ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়,কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা এলাকার খলিসাকুন্ডি বাজারের ফল ব্যবসায়ী (সজিব স্টোর) এর মালিক সুরুজ মিয়া(৩৫) ও তার পিতা মোঃ ইদ্রিস আলী (৬০) কে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহতের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার (১) মোঃ মিনারুল ইসলাম (৫০),পিতা:মৃত ইসমাইল মন্ডল, (২) মো:ইশান (২৭), (৩) মোঃইমন (৩০) উভয় পিতা মোঃ মিনারুল ইসলাম, (৪) মোঃ আসাদুল (৪৮) পিতাঃ মো: সামসুদ্দিন মন্ডল, (৫) কলিংস (২৫), (৬) মোঃ শেরেকুল(২৬) এর বিরুদ্ধে।
৬ নং বিবাদী শেরেগুল কে কিছুদিন আগে মাদকসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন। শেরেকুল কে ধরিয়ে দেওয়া সন্দেহেই সুরুজ ও তার পিতার উপর এই হামলা ও দোকান লুটপাট এবং ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী সুরুজ মিয়া জানান, আমি খলিসাকুন্ডি বাসস্ট্যান্ড বাজারে আমার মুদি ও ফলের দোকান(সজিব স্টোর) দিয়ে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার দোকানের পাশে ১ নং বিবাদী মিনারুল ইসলাম এর সারের দোকান রয়েছে। সে একজন মাদক ব্যবসায়ী।
ঘটনার কিছুদিন পূর্বে বিবাদী মিনারুলের সহযোগী শেরেগুল মাদকদ্রব্যসহ ডিবি পুলিশ কর্তৃক ধৃত হয়। পরবর্তীতে বিবাদী শেরেগুল বিজ্ঞ আদালত হইতে জামিনে মুক্তি পেয়ে বিবাদী মিনারুল সহ অনান্য বিবাদীগন পরস্পর যোহ সাজস করে আমি শেরেগুলল কে ধরিয়ে দিয়েছি এই সন্দেহ করে আমাকে ও আমার পরিবারবর্গদের খুন জখম করার হুমকি দেয় এবং আামার উপর হামলা করার সুযোগ খুজতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার ১ এপ্রিল আনুমানিক সকাল সাড়ে ৯ টারসময় খলিসাকুন্ডি বাজারে আমার মুদি ও ফলের দোকানে বেচাকেনা করছিলাম এমন সময় মিনারুল সহ আসামীরা রড়, বাটাম,লাঠি-সোটা বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার দোকানে আক্রমণ করে ব্যহক ভাংচুর ও লুটপাট করে। দোকানে থাকা আমার বাবামোহাম্মদ ইদ্রিস আলী কে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং পায়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত আঘাত করে আমি আমার বাবাকে রক্ষা করতে গেলে বিবাদীরা আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে এবং ১নং বিবাদী মিনারুল আমার দোকানে ঢুকে দোকানের ক্যাশ ড্রয়ার থেকে নগদ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা লুট এবং আমার দোকানের মালামাল ও ফল নিচো ফেলে দিয়ে পারায়া ভাঙচুর করে। যার আনুমানিক মূল্য এক লক্ষ টাকা।
এসময় আমাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটি আসলে আসামীরা বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আমাকে ও আমার বাবাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ডাক্তার আমার বাবাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাবীদ হাসান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিব। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
