রামগঞ্জে বৃদ্ধাকে চাপাতি দিয়ে কোপালেন পুলিশের এসআই

শেয়ার

আবু তাহের, রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নোয়াখালী পুলিশ লাইনন্স রিজাব পুলিশের এসআই মোহাম্মদ উল্যা রিপন নিজ বাড়ির শহীদ উল্যা নামের এক জেঠাতো ভাইকে নিজ হাতে চাপাতি দিয়ে এলোপতাড়ি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১৯মার্চ শনিবার দুপুরে রামগঞ্জ উপজেলার ৬নং লামচর ইউনিয়ের দাসপাড়া গ্রামের আশ্রাফ আলী মৌলভী বাড়ি ওরপে সাইলাগো বাড়িতে।

স্থানীয় লোকজন শহীদকে উদ্ধার প্রথমে রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতাল পরে অবস্থার অবনতি হলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সর্বশেষ রাতে তাকে ঢাকায় প্রেরন করছেন কর্তব্যরত ডাক্তার। পুলিশের এস আই মোহাম্মদ উল্যা রিপন নোয়াখালী পুলিশ লাইনে কর্মরত রয়েছেন। সে একই বাড়ির মৃত লকিয়ত উল্যার ছেলে।

খবর পেয়ে রামগঞ্জ মোহাম্মদীয়া পুলিশ ফাড়ির এস আই ইউসুফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সৃষ্ট ঘটনায় রামগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার দাসপাড়া গ্রামের সাইলাগো বাড়িতে পুকুরের মাছ ভাগ ভাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে পুলিশের এসআই মোহাম্মদ উল্যা রিপন ও তার জেঠাতো ভাই শহীদ উল্যার সাথে পুকুরের মাছ ভাগবাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে কথা কাটা কাটি শুরু হয়।

এসময় পুলিশের স্ত্রী নাজমা বেগম ও তার বোন সুফিয়া বেগম ঘর থেকে চাপাতি এনে পুলিশের হাতে দেওয়ার এক পর্যােয় সে শহীদ উল্যাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এসময় বাড়ির লোকজন শহীদ উল্যাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেপার্ড করে।

শহীদ উল্যার ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, আমার বাবা এখনো সংকামুক্ত নয়। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এসআই মোহাম্মদ উল্যা রিপন মুঠোফোনে জানান, আমি কারো গায়ে হাত দেইনি। বরং উল্টো শহীদ উল্যার আঘাতে আমার আমার হাতের আঙ্গুল কেটে গেছে। আমার স্ত্রী ও বোন আহত হয়ে বর্মানে নোয়াখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

সম্পর্কিত খবর

কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.