দেলোয়ার হোসেন, রামগতি : এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। গাছে গাছে ফুটছে নতুন ফুল। সুবাস ছড়াচ্ছে দিকে দিকে। শীতের জড়তা কাটিয়ে আম গাছেও লেগেছে ফাগুনের ছোঁয়া। আমের নতুন মুকুলে মুকুলে ভরে উঠেছে রামগতি উপজেলার আম গাছগুলোতে। এবার কিছুটা আগে ভাগেই শোভা ছড়াচ্ছে আমের মুকুল। আর কিছুদিন পরেই দেখা মিলবে গুটি আমের।
ঋতু ও প্রকৃতির মধ্যে দারুণ বোঝাপাড়াটা প্রকাশ পায় এখনই। প্রকৃতির নতুন অবয়ব ও ঋতুর পালাক্রম পরিবর্তন এক অন্যরকম মিলন। যেন প্রকৃতি সেজেছে তার নিজস্ব মহিমায়। তাল মিলিয়ে বাদ যায়নি আমের গাছগুলোও। নিজেকে উজাড় করে বিলিয়ে দিচ্ছে তার সৌন্দর্য। ঘ্রাণে ঘ্রাণে বিমহিত করছে চারপাশ।রামগতির বিভিন্ন এলাকায় আম গাছগুলো ভেঙে পড়ছে মুকুলের ভারে। বাড়ির আঙ্গিনা থেকে বাগান পর্যন্ত সব জায়গায় শোভা ছড়াচ্ছে আমের মুকুল। মৌ-মৌ গন্ধে ভরিয়ে তুলছে চারিদিক। বাধভাঙা মুকুলে খুশি আম গাছের মালিকরা। যেহেতু উপজেলা টি মেঘনার তীরঘেষে অবস্থিত তাই এখানে কোন আম চাষির দেখা মেলে না। আর কিছুদিন পরই দেখা মিলবে গুটি আমের।
রঘুনাথ পুর গ্রামের এক আম গাছের মালিক জানান, এ বছর জেলার প্রতিটি এলাকায় প্রচুর পরিমাণ আমের মুকুল এসেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সর্বোচ্চ ফলন সম্ভব হবে।
রামগতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ জানান, রাজশাহী অঞ্চলের মতোই এ অঞ্চলের আম সুস্বাদু ও প্রসিদ্ধ। এবার আমের ফলন যথেষ্ট হলে তা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
এ বছর বিষ ও ফরমালিন মুক্ত আম উৎপাদনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রামগতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ ।
