পাবলিক পরীক্ষা: প্রতি বিষয়ের পরীক্ষা ৫০ নম্বরে

শেয়ার

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি এবং উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে এসএসসি ও ২ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার সূচি প্রকাশের পরই পরীক্ষা কয় নম্বরে হবে তা জানতে চাচ্ছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। কয়েকমাস আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, এসএসসি-এইচএসসির প্রতি বিষয়ের পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরে। পরে এই ৫০ নম্বরকে ১০০ তে রূপান্তর করে পরীক্ষার ফল দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা সব বিষয়ে না নিয়ে কেবল গ্রুপভিত্তিক নৈর্বাচনিক তিন বিষয়ে নেওয়া হবে। তবে পরীক্ষা নেওয়ার সময় অর্ধেক কমে যাবে। তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টা।
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রতি বিষয়ে পরীক্ষার মোট নম্বরও কমে যাবে। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র থেকে উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন বাছাইয়ে বেশি সুযোগ পাবে।

গত ১৫ জুলাই এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়েছিলেন।

প্রশ্নের ধরন ও পরীক্ষার সময় কেমন হবে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, অর্ধেক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে অর্থাৎ তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টায়। আর প্রশ্নপত্র এখন যেভাবে বহুনির্বাচনী ও রচনামূলক হয়, সেভাবেই হবে। তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন বাছাই করার ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ পাবে।

যেমন আগে যেখানে ১০টি প্রশ্নের মধ্যে থেকে ৮টির উত্তর দিতে হতো, সেখানে এখন হয়তো সেই ১০টি প্রশ্নই থাকবে। তবে তার মধ্যে তিনটি বা চারটির উত্তর দিতে বলা হতে পারে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বেছে নেওয়ার সুযোগ বেড়ে যাবে। আর প্রতি বিষয়ে মোট নম্বর ১০০ এর বদলে ৫০ নম্বর করা হবে। পরে এই ৫০ নম্বরকে ১০০ তে রূপান্তর করে পরীক্ষার ফল দেওয়া হবে।
কোন উইজেট পাওয়া যায়নি. উইজেট পৃষ্ঠায় যান এবং অফক্যানভাস সাইডবার উইজেট এলাকায় উইজেট যোগ করুন।.