In the same year, 13 students of Honors-Masters Khubir; jobs Suffering in the application

shear

Tanveer Hasan Tanma; very representative

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) একই সালে অনার্স ও মাস্টার্স পাশের সার্টিফিকেট দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ১৩ শিক্ষার্থী। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ ডিসিপ্লিন প্রধানকে জানালেও সমাধান পায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ১৩ শিক্ষার্থী, তাড়াতাড়ি চাকরির আশায় মাস্টার্সে এক বছর মেয়াদী নন-থেসিস কোর্সে ভর্তি হয়।

কিন্তু ঘটনা ঘটেছে হিতে বিপরীত! ফলাফল তৈরিতে ডিসিপ্লিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যথাযথ সমন্বয় হীনতার কারণে একই সালে অনার্স-মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। যা ইতোমধ্যে তাদের বিড়ম্বনায় ফেলেছে তাদের, আবেদন করতে পারছে না অনেক চাকরি পরীক্ষায়। ফলে স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দুচিন্তায় দিন কাটছে তাদের। সমস্যা ও ভোগান্তির বিষয়টি ডিসিপ্লিন প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার জানালেও মেলেনি আশানুরূপ কোনো সমাধান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের জেসমিন আক্তার, উজ্জ্বল চন্দ্র সরদার, শেখ রিফাত আলম, আল আরাফ মাহেদী, মোঃ আল আমিন অনিক, এস এম মেহেদী হাসান শাওন, সাদিয়া ইসলাম মুমু, পাভেল হোসাইন, মোঃ সোহেব সাকি, মোঃ রকিবুর রহমান তামিম, এস এম হামিম, মোসাঃ সালমা জাহান ও মোঃ শাহিন আলমের।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের অনার্সের শিক্ষাবর্ষ ছিলো ২০১৭-১৮। সেশন অনুযায়ী তাদের সার্টিফিকেট হওয়ার কথা ২০২২ সালে। কিন্তু প্রশাসনিক ভবন থেকে অনার্সের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি। মূলত এখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। অপর দিকে এমএসএস-২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স নন থিসিস কোর্স নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফলাফল ডিসিপ্লিন থেকে প্রকাশিত হয় ১২ ডিসেম্বর এবং প্রশাসনিক ভবন থেকে পরিপূর্ণ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় ২৮ ডিসেম্বরে। যার ফলে তারা একই সালে দুইটি অনার্স-মাস্টার্স পাশের সার্টিফিকেট পায়। আর এতেই তৈরি হয় তাদের ভোগান্তি। যে পরিকল্পনায় তারা ১ বছর মেয়াদি নন-থিসিস কোর্সে ভর্তি হয়েছিলো সে পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়ে উল্টো যোগ হয়েছে ভোগান্তি। প্রতিদিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারী চাকরি গুলোতে আবেদন করতে না পারায় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দুচিন্তায় দিন কাটছে তাদের। তারা আরও জানায়, ১২ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশিত হলে শিক্ষার্থীরা মৌখিক ভাবে ক্লাস রিপ্রেজেনটেটিভ এর মাধ্যমে এবং পরে লিখিতভাবে ডিসিপ্লিন প্রধান কে অবগত করে। কিন্তু তিনি বিষয়টি আমলে না নেওয়া সমস্যা আরও তীব্রতর হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ ব্যাপারে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিন প্রধান সারা মনামী হোসেন বলেন, আমার এব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই, কারণ এখন আমার হাতে করার কিছুই নেই। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ২৯ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন জানায়। অবেদনের কোনো অগ্রগতি না পেয়ে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর পরিচালকের সাথে সরাসরি কথা বললে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের কাছে একটি চিঠি এসেছে, তার প্রেক্ষিতে আমাদের মাঝে মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনাদের পাশের সাল পরিবর্তন হবেনা। এতে শিক্ষার্থীরা আরও হতাশায় ভেঙে পড়েন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী পাভেল হোসাইন বলেন, দ্রুত জবের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য এক বছরের মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করি। কিন্তু কোর্স শেষ করে লাভ হলো কি।তার থেকে দেড় বছরের মাস্টার্স কোর্স করাই ভালো ছিলো। অনার্স ও মস্টার্সের পাশের সন একই হওয়াত মাস্টার্সের সার্টিফিকেট দিয়ে কোথাও আবেদন করতে পারছি না।প্রতিদিন প্রকাশিত হওয়া জবের সার্কুলার গুলোতে যে আবেদন করতে পারছি না, তার দায় ভার কে নেবে? অপর এক শিক্ষার্থী মো: আল আসিফ অনিক বলেন, আমাদের মাস্টার্সের রেজাল্ট ডিসিপ্লিন থেকে প্রকাশিত হওয়ার কিছুদিন পরে বিষয়টি ডিসিপ্লিনে মৌখিক ভাবে জানানো হয়। পরে কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আবেদেন করলেও বিগত ৫ মাসেও বিষয়টির কোন সমাধান আমারা পাই নি।যা আমাদের চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে।

এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. শারাফাত আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ধরনের কথা বলেননি তিনি। একই সালে অনার্স এবং মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট হওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, রেজাল্ট তৈরির প্রসেস হল টি একটি টিম ওয়ার্ক। নিয়ম অনুযায়ী ডিসিপ্লিন থেকে ফলাফল পাঠনোর পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার ফলাফল যে সালে অনুমোদন দেবে শিক্ষার্থীরা সেই সালের সার্টিফিকেট পাবে। ডিসিপ্লিনের অবশ্য এ ব্যাপারে জানার কথা যে কতো সালে তাদের শিক্ষার্থীদের অনার্স শেষ হয়েছে এবং কবে মাস্টার্স শেষ হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ( ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, “সমস্যা সমাধানের বিষয়ে ডিসিপ্লিন প্রধান ও উপাচার্য স্যারের মধ্যে মিটিং হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি মিটিং এর দিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমস্যাটির সমাধান হবে।”

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.