Sudharam patient dressed up as a Bhuta doctor sentenced to prison

shear

No.Kakhali Representative:

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেয়া এক ভুয়া চিকিৎসককে রোগী সেজে ধরলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

এ সময় কোনো সনদ ছাড়া রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেয়ার কারণে ওই চিকিৎসককে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের জহুরুল হক মিয়ার গ্যারেজের পাশে জাহান কটেজে এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ। দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসক মাইনউদ্দিন সবুজ (৪০) ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার বাসিন্দা। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন।

দীর্ঘ ৪ বছর ধরে চিকিৎসক হিসেবে ব্যবস্থাপত্র ও সার্জারি করেন বলে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসক। জানা যায়, নোয়াখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের জহুরুল হক মিয়ার গ্যারেজের পাশে জাহান কটেজের নিচতলায় বাসা ভাড়া নিয়ে চেম্বার করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে স্নাতকোত্তর পাস করা মাইনউদ্দিন সবুজ। নিজের নামের পাশে বিভিন্ন ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে প্যাড বানান তিনি। যা ব্যবহার করে নিয়মিত ব্যবস্থাপত্র ও অপারেশন করতেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে আগে সিরিয়াল দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ নিজেই রোগী সেজে সেখানে হাজির হন। এ সময় তিনি সবুজের কাছে তার সনদপত্র দেখতে চান। কিন্তু সবুজ সনদ দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে প্রেরণ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোগী সেজে সকালে সিরিয়াল দিয়েছি। যখন চেম্বারে যাই তখন ডাক্তার ভেতরে আছেন বলে আমাকে জানায়।

এরপর সনদ চাইলে তিনি দেখাতে ব্যর্থ হন। মূলত তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়ালেখা করেছেন। ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, মাইনউদ্দিন সবুজ স্বীকার করেন ৩-৪ বছর ধরে এভাবে চিকিৎসক হিসেবে প্রতারণা করে আসছিলেন। ভুয়া চিকিৎসক প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.