Jubo League presidium member Habibur Rahman Pawan was a human chain to demand the expulsion of Pawan.

shear

Ramganj (Laxmipur) Representative:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান পবনকে বহিস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ জানুয়ারী (সোমবার) বিকেলে উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের উদ্যোগে রামগঞ্জ পৌরসভার সামনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নেতকমর্ীদের একাত্ত্বতা প্রকাশ করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকম রুহুল আমিন, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বেলাল আহম্মেদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সৈকত মাহমুদ সামছু, ৩নং ভাদুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাবেদ হোসেন, ৬নং লামচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফয়েজ উল্যা জিসান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল মাল, সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান শুভ প্রমূখ। এসময় বক্তারা বলেন, হাবিবুর রহমান পবন ঢাকা থেকে রামগঞ্জে এসে শান্তিপ্রিয় রামগঞ্জকে অশান্ত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। প্রশাসনের উচ্চ প্রদস্থ কর্মকর্তা মহোদয়ের সামনে এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার ত্রীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পবনকে দল থেকে বহিস্কারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

উল্লেখ্যঃ রামগঞ্জ পৌরসভা ভবনের সামনে মাসব্যাপী মেয়র কাপ ব্যাডমিন্টন টূর্নমেন্টের সেমিফাইনাল খেলা উপভোগ করতে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসেন আখন্দ ও পুলিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান পিপিএম, থানার ওসি মোঃ ইমদাদুল হক হক, পৌর মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারীর উপস্থিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ জানুয়ারী রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান পবনের দেওয়া উপজেলা যুবলীগ বনাম লামচর টাইগার ক্লাবের মধ্যে খেলা চলছিলো। এসময় খেলার চলাকালীন সময় আউট হওয়া না হওয়া নিয়ে উভয় দলের সমর্থকদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় খবর পেয়ে হাবিবুর রহমান পবন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মঞ্চে বসা নিয়ে পবনের কর্মী ও মঞ্চে থাকা লোকজনের মধ্যে বিতর্ক শুরু হলে উভয়ের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে মঞ্জে থাকা অথিতিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় এবং এক পর্যায়ে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে হাবিবুর রহমান পবনের মোবাইলে ফোন করলে তার স্ত্রী দিলরুবা বেগম জানান, পবনের উদ্যোগে যুবলীগের একটা টিম ওখানে বেশ কয়েক ম্যাচে খেলে সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠে এসেছে। কিন্তু রবিবার রাতে আয়োজকরা ওই খেলায় আমাদের দলকে অন্যায়ভাবে হারিয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। এসময় আমার ছেলে ইসফাকুর রহমানকে উশৃংখল একদল যুবক অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। খবর পেয়ে আমি ও পবন দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এর বেশী কিছু হয়নি।

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.